নবগ্রাম ব্লকের পাঁচগ্রাম পঞ্চায়েতের গোপাল চক রোডে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা
- Update Time : ০৮:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২৩৭ Time View
পশ্চিমবঙ্গ মুর্শিদাবাদ প্রতিনিধি::সোমবার সকাল থেকেই মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম ব্লকের পাঁচগ্রাম পঞ্চায়েতের গোপাল চক রোডে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গেছে, এই রাস্তাটি নবগ্রাম ও নলহাটি যাতায়াতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাস্তার ধারে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় চারটি পাথরের ডিপো থেকে নিয়মিত পাথর লোডিং ও আনলোডিং করা হচ্ছে। এর ফলে উড়ে আসা পাথরের ধুলোয় পার্শ্ববর্তী বাড়ি, দোকান ও পথচলতি মানুষজন চরম অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। পাশাপাশি, এই রাস্তায় অবিরাম ট্র্যাক্টর ও ডাম্পার চলাচল করায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, এই রাস্তা দিয়েই শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের পড়ুয়াদের স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। অতিরিক্ত ভারী যান চলাচলের কারণে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে যাওয়া-আসা বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান ওই স্কুলের এক শিক্ষিকা। এছাড়াও ধুলো ও যানজটের জেরে একাধিক পথ দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ।
বিক্ষোভকারীরা জানান, পাথরের এই ব্যবসা বন্ধের দাবিতে আগেই লিখিতভাবে পাঁচগ্রাম পঞ্চায়েত ও বিডিও-র কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি নবগ্রাম থানাকেও বিষয়টি অবগত করা হয়। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় আজ কাঠের গদি ফেলে পাথর বোঝাই গাড়ি আটকিয়ে বিক্ষোভে নামেন এলাকাবাসী। জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বিঘা জমির উপর এই পাথরের ব্যবসা চলছিল।
খবর পেয়ে নবগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘক্ষণ দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে। পরে পাঁচগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সালমা ইয়াসমিন সহ পঞ্চায়েত সদস্যরাও সেখানে পৌঁছান। এরপর পুলিশের নির্দেশে দুই পক্ষকেই নবগ্রাম থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
নবগ্রাম থানায় আইসি সৌরভ সেন এবং বিএল অ্যান্ড এলআরও-র উপস্থিতিতে জানানো হয়, পাথরের ডিপো ও মজুতের জন্য কোনও সরকারি অনুমতি নেওয়া হয়নি। যতদিন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া না হবে, ততদিন পাথর লোডিং ও আনলোডিং সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
এই সিদ্ধান্তে খুশি এলাকাবাসী। নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি সমাধানের জন্য নবগ্রাম থানার আইসি সৌরভ সেনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় মানুষজন।

























