কালিগঞ্জে প্রবাসীর জমি জবরদখল দখল চেষ্টার অভিযোগ
- Update Time : ০২:২৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
- / ১৩৫ Time View
কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকায় এক প্রবাসীর উত্তরাধিকারী সূত্রে পাওয়া জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। আদালতের রেকর্ড সংশোধনের মামলা চলা সত্ত্বেও বিবাদীরা বসতবাড়ির সাথে থাকা মৎস ঘেরের বেড়িবাধ কেটে জবর দখলের চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জমির মালিকের ভাই তাছের আলী সরদার।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
জমির মালিকের ভাই বাদী হয়ে ইতোমধ্যে কালিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন বলে যানাগেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তাছের আলী সরদারের ভাই হারে আলী সরদার দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী। হারেজ আলী বড় গোবিন্দপুর মৌজার আর.এস খতিয়ান নং– ৪৯১ ও ২৪ দাগ নং–১৫২৯ এর ৩০ শতাংশ জমি উত্তরাধি সূত্রে মালিকানা অর্জন করেন এবং সেখানে বসতবাড়ি, দোকান ঘর, মৎস্য প্রজেক্ট, সবজি ও ফলজ গাছ রোপণ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে ছিলেন।
কিন্তু স্থানীয় নজরুল গাজী, তৌফিক গাজী, শফিকুল ইসলাম, শফি, সিরাজ গাজী, রফিকুল ইসলাম রফি, মাহাবুব গাজী, খোকন বাবু, সাইদসহ অজ্ঞাতনামা ১০–১৫ জন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে উক্ত জমি দখলের পাঁয়তারা করে আসছে এবং একাধিকবার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
বিরোধী সম্পত্তি নিয়ে কালিগঞ্জ সহকারী জজ আদালতে রেকর্ড সংশোধনী মামলা-১১০/২২ চলমান থাকা সত্ত্বেও শুক্রবার সকালে বিবাদীরা দলবলসহ জমিতে প্রবেশ করে বাদীর রোপণকৃত ফলজ ও সবজি গাছ উপড়ে ফেলে মৎস্য প্রজেক্টের বেরিবাদ কেটে দেয়। এতে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়। বাধা দিতে গেলে বাদীকে অশালীন ভাষায় গালাগাল ও হামলার চেষ্টা করে। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তারা সরে গেলেও পরবর্তীতে পুনরায় দখলের হুমকি দেয়।
প্রবাসীর ভাই তাছের আলী সরদার জানান, তিনি বাধা দিলে বিবাদীরা কাজ চালিয়ে যায় এবং তাকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এতে এলাকায় পুনরায় সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে একই জমি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ চলে আসছে। প্রবাসী হারেজ আলী দীর্ঘদিন যাবত এই জায়গায় বসত ঘর, দোকান ও মৎস্য প্রজেক্ট করে দখল করে আসছিলেন কিন্তু বিবাদীরা হঠাৎ করে সংঘবদ্ধ হয়ে জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
এই বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, ঐ জায়গা সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। কেউ যদি আদালতের আদেশ অমান্য করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


















