Dhaka ১১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের আলী মিয়ার তান্ডব

আব্দুর রাজ্জাক
  • Update Time : ০১:১৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৬৮৪ Time View

সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি::জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলা সিঙ্গার বিল ইউনিয়নে শ্রীপুর গ্রামে (উত্তরপাড়া) মৃত আবদুল জলিল (গোরাচাঁন) এর ছেলে আলী মিয়া কর্তৃক চলাচলের রাস্তা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং দুপুর প্রায় ২:০০ টা হইতে ৪:০০ টা পর্যন্ত, হাতে দা নিয়ে, বাউন্ডারি বেড়া ভাঙচুর, ঘরের ভিতরে ভাঙচুর টাকা পয়সা স্বর্ণলঙ্কার লুটপাট ও চলাচলের রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়া করলে কুপিয়ে কেটে ফেলবে মর্মে অভিযোগ ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তাণ্ডবের ঘটনার তারিখ ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখ সময় দুপুর অনুমান ২.০০ থেকে ৪.০০ ঘটিকার সময়। (১) আলী মিয়া (৪৫), পিতা- মৃত আব্দুল জলিল (গোরা চান) (২) ফিরোজ মিয়া (৫৭), পিতা- ঐ,(৩) মাজিদ মিয়া (৫০), পিতা- ঐ,
(৪)কাজল মিয়া (২৮), পিতা- মাজিদ মিয়া, (৫) ময়না আক্তার মিতু (২৫), পিতা- আলী মিয়া,সব সাং-শ্রীপুর (উত্তরপাড়া), ইউপি- সিঙ্গার বিল, থানা- বিজয়নগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন এর নাম উল্লেখ করে বিজয়নগর থানায অভিযোগ দাখিল করে,নেহেরা বেগম।

নেহারা বেগমের অভিযোগে, উপরে উল্লেখিত ব্যক্তিদ্ধয় জবর দখলবাজ, পরসম্পদ লোভী, উশৃঙ্খল, লাঠিয়াল, দাঙ্গাবাজ,ক্রিমিনাল, সন্ত্রাসী ও আইন অমান্যকারী প্রকৃতির লোকজন। আলী মিয়া গং একই বাড়ির লোকজন ও পরস্পর আপনজন হয়।

ঘটনা মূলত আলী মিয়া গং সাথে দীর্ঘ দিন পূর্ব থেকেই নেহেরা বেগম গং হাটা চলার রাস্তার বিষয় নিয়া বিরোধ ও মনোমালিন্য চলিয়া আসিতেছে। উক্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে আলী মিয়া গং পূর্ব থেকে নেহেরা বেগম গং কে মারধর করার সুযোগ খুঁজিতেছে।

ঘটনার তারিখ ও সময়ে রাস্তার বিষয় নিয়া আলী মিয়া গং সাথে কথা কাটাকাটি হইলে, আলী মিয়া মুখোশ পড়িয়া তাহার হাতে থাকা রাম দা দিয়া, নেহেরা বেগম গং এর বাউন্ডারী ও বেড়া কুবাইয়া ভাংচুর করে। রাম দা দিয়া দাগ দিয়া, এই বলিয়া হুমকি প্রদান করে যে, এই দাগের ভেতরে আসলে কুবাইয়া প্রাণে শেষ করিয়া ফেলবে।

পরক্ষণে নেহেরা বেগম গং পুরাতন বাড়িতে চলে গেলে, এই সুযোগে আলী মিয়া গং সহ অন্যান্যদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আইরিন আক্তার এর বসত ঘরে অন্যায় অনধিকার প্রবেশ করে, ঘরের ভেতরে থাকা বিভিন্ন মালামাল ভাংচুর করে ছড়াইয়া ছিটাইয়া ফেলে দেয়। তৎপর আলী মিয়া গং, আইরিন আক্তারের আলমারিতে থাকা নগদ ১,২৫,০০০/-(এক লক্ষ পচিশ হাজার) টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকার নিয়া যায়। তৎ সময় আলী মিয়া গং কে টাকা ও স্বর্ণালংকার নেওয়ার সময়, সুরমা বেগম আগাইয়া আসিয়া বাধা প্রদান করলে,আলী মিয়া গং, সুরমা বেগম কে এলোপাথারি থাপরাইয়া কিলাইয়া ঘুষাইয়া ও বেদম মারপিট করে বাইরাইয়া আহত করে।

পরক্ষণে ব্যবসায়ী আল-আমিন,রাস্তা দিয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাহিরে যাওয়ার সময, আলী মিয়া’র হাতে থাকা রাম দা দিয়া প্রকাশ্য এই বলিয়া হুমকি প্রদর্শন করে যে,এই রাস্তা দিয়া হাঁটা চলা করিলে কুবাইয়া কুচি কুচি করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিবে।

ঘটনার পরিস্থিতি খারাপ বুঝিতে পারিয়া নেহেরা বেগম গং সহ বাড়ির ছোট বড় শিশুরা মৃত্যুর ভয়ে,বিষম আতঙ্কে ঘটনার স্হানে চুপ থাকে। আলী মিয়া,ধন মিয়া গং অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ ও মারধর করিয়া,এই বলিয়া হুমকি ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদশন করে যে,আলী মিয়া গং এর সাথে উক্ত বিষয় নিয়া কোন রকম বারা-বারি করিলে বা মামলা মোকদ্দমা করিলে, নেহেরা বেগম গং পরিবারের যে কোন সদস্য কে মারধর করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিবে, মিথ্যা মামলা দিয়া হয়রানি করিবে।

এমতাবস্থায় উপরোক্ত বর্ণিত বিষয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জন এর বিরুদ্ধে, ৭ জনের সাক্ষীর নাম উল্লেখ সহ উপস্থিত সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে ও ভিডিও তথ্য চিত্রে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য, অফিসার ইনচার্জ, বিজয় নগর থানা, বরাবর আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নেহেরা বেগম ।

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানা অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ শহিদুল ইসলাম জাতীয় দৈনিক শেষ সাংবাদ প্রতিনিধি কে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্তধীন আছে, সঠিক তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের আলী মিয়ার তান্ডব

Update Time : ০১:১৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি::জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলা সিঙ্গার বিল ইউনিয়নে শ্রীপুর গ্রামে (উত্তরপাড়া) মৃত আবদুল জলিল (গোরাচাঁন) এর ছেলে আলী মিয়া কর্তৃক চলাচলের রাস্তা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং দুপুর প্রায় ২:০০ টা হইতে ৪:০০ টা পর্যন্ত, হাতে দা নিয়ে, বাউন্ডারি বেড়া ভাঙচুর, ঘরের ভিতরে ভাঙচুর টাকা পয়সা স্বর্ণলঙ্কার লুটপাট ও চলাচলের রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়া করলে কুপিয়ে কেটে ফেলবে মর্মে অভিযোগ ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তাণ্ডবের ঘটনার তারিখ ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখ সময় দুপুর অনুমান ২.০০ থেকে ৪.০০ ঘটিকার সময়। (১) আলী মিয়া (৪৫), পিতা- মৃত আব্দুল জলিল (গোরা চান) (২) ফিরোজ মিয়া (৫৭), পিতা- ঐ,(৩) মাজিদ মিয়া (৫০), পিতা- ঐ,
(৪)কাজল মিয়া (২৮), পিতা- মাজিদ মিয়া, (৫) ময়না আক্তার মিতু (২৫), পিতা- আলী মিয়া,সব সাং-শ্রীপুর (উত্তরপাড়া), ইউপি- সিঙ্গার বিল, থানা- বিজয়নগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন এর নাম উল্লেখ করে বিজয়নগর থানায অভিযোগ দাখিল করে,নেহেরা বেগম।

নেহারা বেগমের অভিযোগে, উপরে উল্লেখিত ব্যক্তিদ্ধয় জবর দখলবাজ, পরসম্পদ লোভী, উশৃঙ্খল, লাঠিয়াল, দাঙ্গাবাজ,ক্রিমিনাল, সন্ত্রাসী ও আইন অমান্যকারী প্রকৃতির লোকজন। আলী মিয়া গং একই বাড়ির লোকজন ও পরস্পর আপনজন হয়।

ঘটনা মূলত আলী মিয়া গং সাথে দীর্ঘ দিন পূর্ব থেকেই নেহেরা বেগম গং হাটা চলার রাস্তার বিষয় নিয়া বিরোধ ও মনোমালিন্য চলিয়া আসিতেছে। উক্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে আলী মিয়া গং পূর্ব থেকে নেহেরা বেগম গং কে মারধর করার সুযোগ খুঁজিতেছে।

ঘটনার তারিখ ও সময়ে রাস্তার বিষয় নিয়া আলী মিয়া গং সাথে কথা কাটাকাটি হইলে, আলী মিয়া মুখোশ পড়িয়া তাহার হাতে থাকা রাম দা দিয়া, নেহেরা বেগম গং এর বাউন্ডারী ও বেড়া কুবাইয়া ভাংচুর করে। রাম দা দিয়া দাগ দিয়া, এই বলিয়া হুমকি প্রদান করে যে, এই দাগের ভেতরে আসলে কুবাইয়া প্রাণে শেষ করিয়া ফেলবে।

পরক্ষণে নেহেরা বেগম গং পুরাতন বাড়িতে চলে গেলে, এই সুযোগে আলী মিয়া গং সহ অন্যান্যদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আইরিন আক্তার এর বসত ঘরে অন্যায় অনধিকার প্রবেশ করে, ঘরের ভেতরে থাকা বিভিন্ন মালামাল ভাংচুর করে ছড়াইয়া ছিটাইয়া ফেলে দেয়। তৎপর আলী মিয়া গং, আইরিন আক্তারের আলমারিতে থাকা নগদ ১,২৫,০০০/-(এক লক্ষ পচিশ হাজার) টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকার নিয়া যায়। তৎ সময় আলী মিয়া গং কে টাকা ও স্বর্ণালংকার নেওয়ার সময়, সুরমা বেগম আগাইয়া আসিয়া বাধা প্রদান করলে,আলী মিয়া গং, সুরমা বেগম কে এলোপাথারি থাপরাইয়া কিলাইয়া ঘুষাইয়া ও বেদম মারপিট করে বাইরাইয়া আহত করে।

পরক্ষণে ব্যবসায়ী আল-আমিন,রাস্তা দিয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাহিরে যাওয়ার সময, আলী মিয়া’র হাতে থাকা রাম দা দিয়া প্রকাশ্য এই বলিয়া হুমকি প্রদর্শন করে যে,এই রাস্তা দিয়া হাঁটা চলা করিলে কুবাইয়া কুচি কুচি করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিবে।

ঘটনার পরিস্থিতি খারাপ বুঝিতে পারিয়া নেহেরা বেগম গং সহ বাড়ির ছোট বড় শিশুরা মৃত্যুর ভয়ে,বিষম আতঙ্কে ঘটনার স্হানে চুপ থাকে। আলী মিয়া,ধন মিয়া গং অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ ও মারধর করিয়া,এই বলিয়া হুমকি ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদশন করে যে,আলী মিয়া গং এর সাথে উক্ত বিষয় নিয়া কোন রকম বারা-বারি করিলে বা মামলা মোকদ্দমা করিলে, নেহেরা বেগম গং পরিবারের যে কোন সদস্য কে মারধর করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিবে, মিথ্যা মামলা দিয়া হয়রানি করিবে।

এমতাবস্থায় উপরোক্ত বর্ণিত বিষয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জন এর বিরুদ্ধে, ৭ জনের সাক্ষীর নাম উল্লেখ সহ উপস্থিত সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে ও ভিডিও তথ্য চিত্রে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য, অফিসার ইনচার্জ, বিজয় নগর থানা, বরাবর আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নেহেরা বেগম ।

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানা অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ শহিদুল ইসলাম জাতীয় দৈনিক শেষ সাংবাদ প্রতিনিধি কে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্তধীন আছে, সঠিক তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।