Dhaka ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অন্ধকারে আতঙ্কে এলাকাবাসী, বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা

মোঃ আনোয়ার হোসেন
  • Update Time : ১০:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৭৯ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি::রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের বিভিন্ন সড়কে সড়কবাতি থাকলেও অধিকাংশই দীর্ঘদিন ধরে অচল পড়ে আছে। ফলে সন্ধ্যা নামতেই অন্ধকারে ডুবে যায় গোটা এলাকা। এতে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়রা আতঙ্কে দিনযাপন করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত কামরাঙ্গীরচর থানার রাস্তায় বিগত সরকারের সময়ে আধুনিক এলইডি বাতি স্থাপন করা হয়েছিল। শুরুতে সচল থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ বাতি নষ্ট হয়ে যায়। বর্তমানে কিছু কিছু স্থানে বাতি জ্বলেও বেশিরভাগ এলাকাই অন্ধকারে নিমজ্জিত।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, একাধিকবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে বিষয়টি জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। কর্মকর্তারা মাঝে মধ্যে এসে কিছু বাতি মেরামত করলেও তা কয়েকদিনের মধ্যেই আবার নষ্ট হয়ে যায়।

অন্ধকারের সুযোগে এলাকায় অপরাধীর উৎপাত বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও দেখা দিয়েছে শঙ্কা।

কামরাঙ্গীরচর থানার তদন্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, “পর্যাপ্ত আলো না থাকায় এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। স্থায়ীভাবে সড়কবাতি সচল করা অত্যন্ত জরুরি।

এলাকাবাসীর দাবি, অল্পস্বল্প মেরামতের পরিবর্তে টেকসই প্রযুক্তিতে নতুনভাবে সড়কবাতি স্থাপন করা হোক। সড়কগুলোতে আলো ফিরলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে নিরাপত্তা

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

অন্ধকারে আতঙ্কে এলাকাবাসী, বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা

Update Time : ১০:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি::রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের বিভিন্ন সড়কে সড়কবাতি থাকলেও অধিকাংশই দীর্ঘদিন ধরে অচল পড়ে আছে। ফলে সন্ধ্যা নামতেই অন্ধকারে ডুবে যায় গোটা এলাকা। এতে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়রা আতঙ্কে দিনযাপন করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত কামরাঙ্গীরচর থানার রাস্তায় বিগত সরকারের সময়ে আধুনিক এলইডি বাতি স্থাপন করা হয়েছিল। শুরুতে সচল থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ বাতি নষ্ট হয়ে যায়। বর্তমানে কিছু কিছু স্থানে বাতি জ্বলেও বেশিরভাগ এলাকাই অন্ধকারে নিমজ্জিত।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, একাধিকবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে বিষয়টি জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। কর্মকর্তারা মাঝে মধ্যে এসে কিছু বাতি মেরামত করলেও তা কয়েকদিনের মধ্যেই আবার নষ্ট হয়ে যায়।

অন্ধকারের সুযোগে এলাকায় অপরাধীর উৎপাত বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও দেখা দিয়েছে শঙ্কা।

কামরাঙ্গীরচর থানার তদন্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, “পর্যাপ্ত আলো না থাকায় এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। স্থায়ীভাবে সড়কবাতি সচল করা অত্যন্ত জরুরি।

এলাকাবাসীর দাবি, অল্পস্বল্প মেরামতের পরিবর্তে টেকসই প্রযুক্তিতে নতুনভাবে সড়কবাতি স্থাপন করা হোক। সড়কগুলোতে আলো ফিরলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে নিরাপত্তা