সমাবেশ ও গণমিছিলে বক্তারা
- Update Time : ০৯:০১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ১৭৬ Time View
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি::পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন, প্রয়োজনীয় রাষ্ট্র সংস্কার, জুলাই সনদের আইনী ভিত্তি প্রদান এবং অপরাধী ও খুনিদের দৃশ্যমান বিচারের দাবীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচী হিসেবে কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
১১ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায় কক্সবাজার পাবলিক হয় ময়দানে জেলা সভাপতি মুহাদ্দিস আমিরুল ইসলাম মীর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশ ও গণমিছিল
পাবলিক হল ময়দান থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে হাশেমিয়া মাদরাসার সামনে শেষ হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান মুজাহিদ।
জেলা সেক্রেটারী এ আর এম ফরিদুল আলম ও জয়েন্ট সেক্রেটারি মুস্তাফিজুল হক চৌধুরীর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ইসলামি যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক (চট্টগ্রাম বিভাগীয়) সম্পদক তাজুল ইসলাম শাহীন,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা শাখার সহসভাপতি মাওলানা ক্বারি আবদুল খালেক নেজামী, ইসলামী যুব আন্দোলন কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলাম আজিজী,
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত প্রমুখ।
অন্যানদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সহসভাপতি মাওলানা নেজামুর রহমান সোলাইমানী, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট রিদওয়ানুল কবির,
ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মাষ্টার আবদুল খালেক নিজামী, প্রশিক্ষক সম্পদক ক্বারি আবু নাসের,
অর্থ সম্পাদক কোরবান আলী, সহ অর্থ সম্পাদক মোঃ ফারুক, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মাওঃ শাকের আহমদ অজীম, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ এস এম ইসমাইল ,
সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক মুহাম্মদ জুবাইর, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম কক্সবাজার জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ জিয়াউল হক প্রমুখ সহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সভাপতি সহ অন্যান্য দায়িত্বশীলবৃন্দ।
পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে দেশে আর ফ্যাসিবাদ তৈরি হবে না; জবাবদিহিমূলক সরকার কায়েম হবে। একটি সুন্দর দেশ গঠন হবে।
জবাবদিহিতার অভাবেই ফ্যাসিবাদ তৈরি হয়। আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ হ্রাস পাবে এবং সংলাপের সংস্কৃতি সৃষ্টি হবে। তাছাড়া প্রতিটি ভোটের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হবে । সকল দল-মতের প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার তৈরি হবে।
আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই সনদের আইনী স্বীকৃতি ও পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতি ছাড়া নির্বাচন দেওয়া যাবে না। “বিগত ৫৪ বছরে যে নির্বাচন পদ্ধতি চালু ছিল তা সংস্কারের প্রধান লক্ষ্যই হলো পিআর পদ্ধতির বাস্তবায়ন



















