Dhaka ০১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শার্শায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

মনির হোসেন
  • Update Time : ১০:৪৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৮৯ Time View

বেনাপোল প্রতিনিধি::যশোরের শার্শা উপজেলায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও সহযোগীতার মামলায় সাত জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক খোন্দকার শাহ আলম।

অভিযুক্ত আসামিরা হলো, কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের মাঝেরপাড়ার আক্তার হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ বিশ্বাস, রমজান মণ্ডলের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, পূর্বপাড়ার মৃত গফুর আলী বিশ্বাসের ছেলে আমজেদ আলী, কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের শাহাজাহান আলীর ছেলে আব্দুল আহাদ ওরফে আদুল হোসেন মেম্বর, মৃত রমজান মণ্ডলের ছেলে আকবার আলী, ছুরমান আলীর ছেলে ইকবার মাহমুদ এবং মৃত বজলুর রহমানের ছেলে আক্তারুজ্জামান।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গৃহবধূর স্বামী কৃষি কাজসহ খুলনা শহরে রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। গত ৩০ জুন সকালে স্বামী রিকশা চালাতে খুলনা চলে যান। এ সুযোগে গৃহবধূকে বাড়িতে একা পেয়ে আসামি আব্দুল্লাহ, আমজেদ ও সিরাজুল ইসলাম মুখ বেধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়।এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী ৭ জুলাই শার্শ থানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকালে আটক আসামিদের দেওয়া তথ্য এবং সাক্ষীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কারণে ওই সাত জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে আক্তারুজ্জামান, আব্দুল্লাহ বিশ্বাস ও আব্দুল আহাদকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

Update Time : ১০:৪৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বেনাপোল প্রতিনিধি::যশোরের শার্শা উপজেলায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও সহযোগীতার মামলায় সাত জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক খোন্দকার শাহ আলম।

অভিযুক্ত আসামিরা হলো, কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের মাঝেরপাড়ার আক্তার হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ বিশ্বাস, রমজান মণ্ডলের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, পূর্বপাড়ার মৃত গফুর আলী বিশ্বাসের ছেলে আমজেদ আলী, কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের শাহাজাহান আলীর ছেলে আব্দুল আহাদ ওরফে আদুল হোসেন মেম্বর, মৃত রমজান মণ্ডলের ছেলে আকবার আলী, ছুরমান আলীর ছেলে ইকবার মাহমুদ এবং মৃত বজলুর রহমানের ছেলে আক্তারুজ্জামান।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গৃহবধূর স্বামী কৃষি কাজসহ খুলনা শহরে রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। গত ৩০ জুন সকালে স্বামী রিকশা চালাতে খুলনা চলে যান। এ সুযোগে গৃহবধূকে বাড়িতে একা পেয়ে আসামি আব্দুল্লাহ, আমজেদ ও সিরাজুল ইসলাম মুখ বেধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়।এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী ৭ জুলাই শার্শ থানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকালে আটক আসামিদের দেওয়া তথ্য এবং সাক্ষীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কারণে ওই সাত জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে আক্তারুজ্জামান, আব্দুল্লাহ বিশ্বাস ও আব্দুল আহাদকে পলাতক দেখানো হয়েছে।