Dhaka ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেনাপোলে ডোবা থেকে মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের লাশ উদ্ধার

মনির হোসেন
  • Update Time : ০৯:০৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১২৮ Time View

বেনাপোল প্রতিনিধি:: যশোরের শার্শা উপজেলায় (বেনাপোল পোর্টথানাধীন) বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ঘিবা গ্রামের দক্ষিণপাড়ার একটি ডোবা থেকে আলিম (৪০) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত আলিম সাদিপুর গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভবঘুরে জীবনযাপন করতেন।

এলাকাবাসী জানান, আজ ২৭অক্টোবর সোমবার সকালে পুকুরপাড় এলাকা থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তারা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর রাস্তার পাশের ডোবায় লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে।

আলিমের স্বজনেরা জানান, তিনি প্রায়ই বাড়ি ছেড়ে ঘুরে বেড়াতেন এবং মানুষের কাছে চেয়ে খেতেন। বেশ কয়েকদিন ধরে আলিমের খোঁজ ছিলোনা। তাদের দাবি, আলিমকে কেউ হত্যা করেনি, তার মৃত্যু স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানিক কুমার সাহা জানান, মানুষের মুখে আলিম মূলত ভবঘুরে ছিলেন এবং রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতেন। সকালে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পরে পরিচয় শনাক্ত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তার মৃত্যু স্বাভাবিক কারণে হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি আরও জানান, আলিমের বড় ভাইও মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। তিনিও ভবঘুরে জীবনযাপন করতেন এবং কক্সবাজারে রাস্তার পাশে একইভাবে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বেনাপোলে ডোবা থেকে মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের লাশ উদ্ধার

Update Time : ০৯:০৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বেনাপোল প্রতিনিধি:: যশোরের শার্শা উপজেলায় (বেনাপোল পোর্টথানাধীন) বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ঘিবা গ্রামের দক্ষিণপাড়ার একটি ডোবা থেকে আলিম (৪০) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত আলিম সাদিপুর গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভবঘুরে জীবনযাপন করতেন।

এলাকাবাসী জানান, আজ ২৭অক্টোবর সোমবার সকালে পুকুরপাড় এলাকা থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তারা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর রাস্তার পাশের ডোবায় লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে।

আলিমের স্বজনেরা জানান, তিনি প্রায়ই বাড়ি ছেড়ে ঘুরে বেড়াতেন এবং মানুষের কাছে চেয়ে খেতেন। বেশ কয়েকদিন ধরে আলিমের খোঁজ ছিলোনা। তাদের দাবি, আলিমকে কেউ হত্যা করেনি, তার মৃত্যু স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানিক কুমার সাহা জানান, মানুষের মুখে আলিম মূলত ভবঘুরে ছিলেন এবং রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতেন। সকালে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পরে পরিচয় শনাক্ত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তার মৃত্যু স্বাভাবিক কারণে হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি আরও জানান, আলিমের বড় ভাইও মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। তিনিও ভবঘুরে জীবনযাপন করতেন এবং কক্সবাজারে রাস্তার পাশে একইভাবে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।