Dhaka ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার রসায়নে অনার্সপাশ জাকির হোসেন ১০ নং ভীমপুর ইউনিয়নে চৌকিদারী চাকরি পেয়ে খুশি

উজ্জ্বল কুমার সরকার
  • Update Time : ০৯:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২০৬ Time View

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি::নওগাঁর মহাদেবপুর রসায়নে অনার্স পাস জাকির হোসেন উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়ন পরিষদে মহল্লাদার (চৌকিদার ) পদে চাকরি পেয়ে মহাখুশি হয়েছে।

জানা গেছে ,মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুজ্জামান গত ২৬ আগস্ট২০২৫ উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন পরিষদের
৮ টি ওয়ার্ডে শূন্য পদে মহল্লাদার পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। এতে মহাদেবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের ১ টি পদের বিপরীতে ১৩ টি দরখাস্ত ,হাতুর ইউনিয়ন পরিষদের ২টি পদের বিপরীতে ১২ টি দরখাস্ত, চান্দাস ইউনিয়ন পরিষদের ১ টি পদের বিপরীতে ১৫ টি দরখাস্ত, রাইগাঁ ইউনিয়ন পরিষদে ১ টি পদের বিপরীতে ৬ টি দরখাস্ত , সফাপুর ইউনিয়ন পরিষদে ১ টি পদের বিপরীতে ৩ টি দরখাস্ত
এবং ভীমপুর ইউনিয়ন পরিষদে ২ টি পদের বিপরীতে ১০ টি দরখাস্ত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা পরে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগের লক্ষ্যে ২২ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে নিজে উপস্থিত থেকে উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর মডেল হাইস্কুলে ৬৪ জন মহল্লাদার পদপ্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করেন এবং তার বিশ্বস্ত অফিসার দিয়ে খাতা দেখেন। এতে ২৪ জন পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়। ঐদিনই বিকেল ৫ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। এ সময় ভাইভা বোর্ডে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছাড়াও থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি সাহীন রেজা, উপসহকারী প্রকৌশলী রাজীব আহমেদ, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ফরিদুল ইসলাম ,

উপজেলা আনসার ও জিডিপি অফিসার ইব্রাহিম খান এবং সংশ্লিষ্ট ৬ ইউপি চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেল সোয়া ৫ টার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নোটিশ বোর্ডে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এই সময়ের ফাঁকে ফাঁকে জাকির হোসেনের সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হলে সে জানায়, আমার দাদা ভীমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক দফাদার ছিলেন , তিনি ১৯৭১ সালে পাক বাহিনীর হাতে ওই ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান সহ একই সাথে শহীদ হন।

সে আরো বলে আমার বাবা রফিকুল ইসলাম একজন ভ্যানচালক ,আমাদের কোন সহায় সম্পদ নাই ,মা খুবই অসুস্থ মেয়েলি বিষয়ে কয়েকটি অপারেশন করতে হয়েছে তারপরেও সে সম্পূর্ণ সুস্থ না হয়ে বর্তমানে বিছনাগত, আমি নিজেও পড়ালেখার পাশাপাশি হাইস্কুল জীবন থেকেই ভ্যান চালিয়ে সংসারে সহযোগিতা করি। এই চাকরিটি আমার জীবনে খুবই প্রয়োজন ছিল, মহান রাব্বুল আলামিন আমার মনের আশা পূরণ করায় আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
নওগাঁ#

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার রসায়নে অনার্সপাশ জাকির হোসেন ১০ নং ভীমপুর ইউনিয়নে চৌকিদারী চাকরি পেয়ে খুশি

Update Time : ০৯:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি::নওগাঁর মহাদেবপুর রসায়নে অনার্স পাস জাকির হোসেন উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়ন পরিষদে মহল্লাদার (চৌকিদার ) পদে চাকরি পেয়ে মহাখুশি হয়েছে।

জানা গেছে ,মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুজ্জামান গত ২৬ আগস্ট২০২৫ উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন পরিষদের
৮ টি ওয়ার্ডে শূন্য পদে মহল্লাদার পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। এতে মহাদেবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের ১ টি পদের বিপরীতে ১৩ টি দরখাস্ত ,হাতুর ইউনিয়ন পরিষদের ২টি পদের বিপরীতে ১২ টি দরখাস্ত, চান্দাস ইউনিয়ন পরিষদের ১ টি পদের বিপরীতে ১৫ টি দরখাস্ত, রাইগাঁ ইউনিয়ন পরিষদে ১ টি পদের বিপরীতে ৬ টি দরখাস্ত , সফাপুর ইউনিয়ন পরিষদে ১ টি পদের বিপরীতে ৩ টি দরখাস্ত
এবং ভীমপুর ইউনিয়ন পরিষদে ২ টি পদের বিপরীতে ১০ টি দরখাস্ত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা পরে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগের লক্ষ্যে ২২ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে নিজে উপস্থিত থেকে উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর মডেল হাইস্কুলে ৬৪ জন মহল্লাদার পদপ্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করেন এবং তার বিশ্বস্ত অফিসার দিয়ে খাতা দেখেন। এতে ২৪ জন পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়। ঐদিনই বিকেল ৫ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। এ সময় ভাইভা বোর্ডে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছাড়াও থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি সাহীন রেজা, উপসহকারী প্রকৌশলী রাজীব আহমেদ, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ফরিদুল ইসলাম ,

উপজেলা আনসার ও জিডিপি অফিসার ইব্রাহিম খান এবং সংশ্লিষ্ট ৬ ইউপি চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেল সোয়া ৫ টার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নোটিশ বোর্ডে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এই সময়ের ফাঁকে ফাঁকে জাকির হোসেনের সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হলে সে জানায়, আমার দাদা ভীমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক দফাদার ছিলেন , তিনি ১৯৭১ সালে পাক বাহিনীর হাতে ওই ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান সহ একই সাথে শহীদ হন।

সে আরো বলে আমার বাবা রফিকুল ইসলাম একজন ভ্যানচালক ,আমাদের কোন সহায় সম্পদ নাই ,মা খুবই অসুস্থ মেয়েলি বিষয়ে কয়েকটি অপারেশন করতে হয়েছে তারপরেও সে সম্পূর্ণ সুস্থ না হয়ে বর্তমানে বিছনাগত, আমি নিজেও পড়ালেখার পাশাপাশি হাইস্কুল জীবন থেকেই ভ্যান চালিয়ে সংসারে সহযোগিতা করি। এই চাকরিটি আমার জীবনে খুবই প্রয়োজন ছিল, মহান রাব্বুল আলামিন আমার মনের আশা পূরণ করায় আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
নওগাঁ#