Dhaka ০৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্মের অপব্যবহার ও বিভাজনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৮ Time View

জাতীয় ডেস্ক: ইসলাম মূলত শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণের ধর্ম হিসেবে পরিচিত এবং এর সঠিক প্রচার সমাজ ও দেশের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের পীর-মাশায়েখ ও আলেম-ওলামাগণ মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠন এবং ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। সম্প্রতি বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে রাষ্ট্রপ্রধান এই মন্তব্য করেন এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় তাঁদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

সাক্ষাৎকালে সমাজকে বিভক্ত করার অপচেষ্টা এবং ধর্মের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়। যারা ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করে, তাদের থেকে দূরে থেকে আলেম সমাজ সবসময় জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতেও এই ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের অবদান অনস্বীকার্য।

বর্তমান সময়ে মুসলিম বিশ্বের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য ও সংহতি জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। যেকোনো বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই এবং দেশকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে আলেম-ওলামাদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়। প্রতিনিধিদলের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের পক্ষ থেকে আয়োজিত শিক্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হলে তা সাদরে গ্রহণ করা হয়। বৈঠকে সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ধর্মের অপব্যবহার ও বিভাজনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

Update Time : ০৬:০০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: ইসলাম মূলত শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণের ধর্ম হিসেবে পরিচিত এবং এর সঠিক প্রচার সমাজ ও দেশের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের পীর-মাশায়েখ ও আলেম-ওলামাগণ মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠন এবং ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। সম্প্রতি বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে রাষ্ট্রপ্রধান এই মন্তব্য করেন এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় তাঁদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

সাক্ষাৎকালে সমাজকে বিভক্ত করার অপচেষ্টা এবং ধর্মের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়। যারা ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করে, তাদের থেকে দূরে থেকে আলেম সমাজ সবসময় জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতেও এই ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের অবদান অনস্বীকার্য।

বর্তমান সময়ে মুসলিম বিশ্বের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য ও সংহতি জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। যেকোনো বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই এবং দেশকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে আলেম-ওলামাদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়। প্রতিনিধিদলের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের পক্ষ থেকে আয়োজিত শিক্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হলে তা সাদরে গ্রহণ করা হয়। বৈঠকে সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।