Dhaka ০৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংবাদ প্রচারকে কেন্দ্র করে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে: ডিএমপি

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৭ Time View

জাতীয় ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসি নিউজের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সম্প্রতি রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত ডিবিসি কার্যালয় থেকে তাঁকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি সংবাদ প্রচার কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে রেখে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে এই মুহূর্তে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি, বরং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, তিনি একই সঙ্গে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্বও পালন করে আসছেন। মহাখালীর কার্যালয় থেকে শুধু ইকবাল সোবহান চৌধুরী নন, বরং ওই গণমাধ্যমের প্রধান অপরাধ প্রতিবেদক রাজীব ঘোষকেও পুলিশের সঙ্গে যেতে দেখা যায়।

ঘটনার পর ডিবিসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রতিক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর মুক্তাদীর অনিক গণমাধ্যমকে জানান যে কেন সুনির্দিষ্টভাবে তাঁদের চেয়ারম্যানকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেননি। তবে তাঁদের ধারণা, গত জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন সময়ের কোনো ঘটনার সঙ্গে এই বিষয়ের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। টেলিভিশন চ্যানেলের পক্ষ থেকেও পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ার জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মুক্তাদীর অনিক জানান যে তাঁকে কোনো সুনির্দিষ্ট জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে নেওয়া হয়নি। অপরাধ বিষয়ক প্রধান প্রতিবেদক হওয়ায় পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর পেশাগত সুসম্পর্ক রয়েছে এবং সেই পরিচয়ের সূত্রে কথা বলার জন্যই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়ে থাকতে পারে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সময়ে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত জানানো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সংবাদ প্রচারকে কেন্দ্র করে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে: ডিএমপি

Update Time : ০৫:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসি নিউজের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সম্প্রতি রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত ডিবিসি কার্যালয় থেকে তাঁকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি সংবাদ প্রচার কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে রেখে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে এই মুহূর্তে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি, বরং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, তিনি একই সঙ্গে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্বও পালন করে আসছেন। মহাখালীর কার্যালয় থেকে শুধু ইকবাল সোবহান চৌধুরী নন, বরং ওই গণমাধ্যমের প্রধান অপরাধ প্রতিবেদক রাজীব ঘোষকেও পুলিশের সঙ্গে যেতে দেখা যায়।

ঘটনার পর ডিবিসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রতিক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর মুক্তাদীর অনিক গণমাধ্যমকে জানান যে কেন সুনির্দিষ্টভাবে তাঁদের চেয়ারম্যানকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেননি। তবে তাঁদের ধারণা, গত জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন সময়ের কোনো ঘটনার সঙ্গে এই বিষয়ের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। টেলিভিশন চ্যানেলের পক্ষ থেকেও পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ার জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মুক্তাদীর অনিক জানান যে তাঁকে কোনো সুনির্দিষ্ট জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে নেওয়া হয়নি। অপরাধ বিষয়ক প্রধান প্রতিবেদক হওয়ায় পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর পেশাগত সুসম্পর্ক রয়েছে এবং সেই পরিচয়ের সূত্রে কথা বলার জন্যই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়ে থাকতে পারে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সময়ে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত জানানো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।