Dhaka ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়া পাচারের সময় নারী-শিশুসহ ৬৬ জন উদ্ধার

জামাল উদ্দীন
  • Update Time : ০২:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৪৩ Time View

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি::কক্সবাজার টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারের জন্য গহীন পাহাড়ের আস্তানায় বন্দি রাখা ৬৬ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত টেকনাফের কচ্ছপিয়া পাহাড়ের চূড়ায় এ অভিযান চালানো হয়।

নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড জানায়, সমুদ্রপথে ট্রলারযোগে মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য নানা প্রলোভনের মাধ্যমে লোকজনকে টেকনাফ নিয়ে আসে। তারপর সংঘবদ্ধ অপহরণকারি ও মানবপাচারকারি চক্র গহীন পাহাড়ে এনে তাদেরকে বন্দি করে রাখে। এছাড়া অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এবং বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে সাধারণ মানুষকে অপহরণ করে মুক্তিপনও দাবি করে থাকে। যার জন্য টেকনাফ এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

তারই ধারাবাহিকতা টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া পাহাড়ি আস্তানায় বেশিকিছু লোকজনকে বন্দি রাখা হয়েছে এমন সংবাদ পায়। এরপর নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড যৌথভাবে টেকনাফের কচ্ছপিয়া পাহাড়ে অভিযান শুরু করে।

অভিযানে গহীন পাহাড়ের চূড়ায় অপহরণকারি ও মানবপাচারকারিদের বেশ কয়েকটি আস্তানার সন্ধান পাওয়া যায়। এসব আস্তানা থেকে বন্দি থাকা অবস্থায় ৬৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। যার মধ্যে পুরুষ ২২ জন, নারী ২৩ জন ও শিশু ২১ জন। তাদের মধ্যে অনেকেই রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছে।

উদ্ধার হওয়া নারী-পুরুষ ও শিশুদের তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। উদ্ধারকৃতদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

মালয়েশিয়া পাচারের সময় নারী-শিশুসহ ৬৬ জন উদ্ধার

Update Time : ০২:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি::কক্সবাজার টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারের জন্য গহীন পাহাড়ের আস্তানায় বন্দি রাখা ৬৬ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত টেকনাফের কচ্ছপিয়া পাহাড়ের চূড়ায় এ অভিযান চালানো হয়।

নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড জানায়, সমুদ্রপথে ট্রলারযোগে মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য নানা প্রলোভনের মাধ্যমে লোকজনকে টেকনাফ নিয়ে আসে। তারপর সংঘবদ্ধ অপহরণকারি ও মানবপাচারকারি চক্র গহীন পাহাড়ে এনে তাদেরকে বন্দি করে রাখে। এছাড়া অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এবং বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে সাধারণ মানুষকে অপহরণ করে মুক্তিপনও দাবি করে থাকে। যার জন্য টেকনাফ এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

তারই ধারাবাহিকতা টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া পাহাড়ি আস্তানায় বেশিকিছু লোকজনকে বন্দি রাখা হয়েছে এমন সংবাদ পায়। এরপর নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড যৌথভাবে টেকনাফের কচ্ছপিয়া পাহাড়ে অভিযান শুরু করে।

অভিযানে গহীন পাহাড়ের চূড়ায় অপহরণকারি ও মানবপাচারকারিদের বেশ কয়েকটি আস্তানার সন্ধান পাওয়া যায়। এসব আস্তানা থেকে বন্দি থাকা অবস্থায় ৬৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। যার মধ্যে পুরুষ ২২ জন, নারী ২৩ জন ও শিশু ২১ জন। তাদের মধ্যে অনেকেই রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছে।

উদ্ধার হওয়া নারী-পুরুষ ও শিশুদের তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। উদ্ধারকৃতদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হবে।