মাদকদ্রব্য উদ্ধার চারজনকে গ্রেপ্তার
- Update Time : ১১:৫০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
- / ৪৭ Time View
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি::ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে এক রাতের ব্যবধানে পরিচালিত পুলিশের দুটি পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে ১৬ কেজি গাঁজা, ১৭৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং দুই বোতল স্কফ সিরাপ। পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজন আন্তঃজেলা মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১১ জুলাই২০২৬ ইংরোজ শনিবার রাতে বিজয়নগর উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রথম অভিযানটি রাত প্রায় ১০টার দিকে সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের মেরাশানী (কবলাছড়া) সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি কক্ষে চালানো হয়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ১৭৫ পিস ইয়াবা ও দুই বোতল স্কফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এ সময় শাকিল আহমেদ (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে উদ্ধারকৃত মাদক জব্দ করা হয়।
একই রাতে সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উথারিয়াপাড়া জামে মসজিদের সামনের সড়কে আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজাগ্রেফতারকৃত আসামিগনের নাম ও ঠিকানা
১। মোঃ শাকিল আহমেদ পিতা- মোঃ সুজন আহমেদ সাং- পশ্চিম মেরাশানী, থানা- বিজয়নগর জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
২। মোঃ খোকন মিয়া ,পিতা- মৃত সফর আলী থানা- মাধবপুর,জেলা- হবিগঞ্জ
বর্তমান সাং-সিঙ্গারবিল মধ্যপাড়া
থানা- বিজয়নগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া,
৩। মোঃ মিলন মিয়া, পিতা- মোঃ সোহাগ মিয়া সাং-আমবাড়ি, থানা- পলাশবাড়ি,জেলা- গাইবান্ধা,
বর্তমান সাং- মিরপুর-১, থানা-দারুসালাম জেলা- ঢাকা,
৪। মোঃ সোহাগ মিয়া, পিতা- মৃত আরব আলী বেপারী সাং- উৎরাপুরা, থানা- আড়াইহাজার জেলা- নারায়নগঞ্জ, বর্তমান সাং- মিরপুর-১
থানা- দারুসালাম, জেলা- ঢাকা।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, পৃথক দুটি ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার চারজনকে রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্তঘেঁষা উপজেলা হওয়ায় বিজয়নগরকে মাদক পাচারের সম্ভাব্য রুট হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয়। এ কারণে পুলিশের নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে নিয়মিত গোয়েন্দা তৎপরতা ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।











