Dhaka ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলের সালামের মৃত্যু ঘিরে রহস্য, প্রশ্ন জানালার শিকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন সজনদের দাবি

আব্দুর রাজ্জাক
  • Update Time : ১১:৫২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৫ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধিঃ :: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার তেলিকান্দি গ্রামে মো. সালাম আহমেদের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ঘরের জানালার শিকের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার, পাশে পড়ে থাকা কাটা নাইলনের দড়ি এবং মৃত্যুর আগের দিন মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ—সব মিলিয়ে ঘটনাটি ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য।

নিহতের পরিবারের দাবি, সালামকে পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টাও করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। তবে পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যায় প্ররোচনার উপাদান পাওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

মৃত্যুর আগের দিন কী ঘটেছিল?নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ১৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অর্থ লেনদেন ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সালামের সঙ্গে কয়েকজনের বিরোধ দেখা দেয়। এ সময় তাঁকে মারধর করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন তাঁরা।

স্বজনদের ভাষ্য, সালামকে প্রকাশ্যে ‘লাশ বানিয়ে ফেলার’ হুমকি দেওয়া হয়েছিল। ওই ঘটনার পরদিনই তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

১৮ অক্টোবর ভোরে সালামের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সকাল আনুমানিক ছয়টার দিকে একটি ফোনকল পাওয়ার পর তাঁরা ঘরে গিয়ে জানালার শিকের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালামের মরদেহ দেখতে পান।

কিন্তু মৃত্যুর আগে তাঁর সঙ্গে কী ঘটেছিল, কারা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং কীভাবে তিনি মারা গেলেন—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা।
কাটা নাইলনের দড়ি, ঘটনাস্থল ঘিরে সন্দেহ
ঘটনাস্থলে পাওয়া কাটা নাইলনের দড়িটি এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়। নিহতের স্বজনদের প্রশ্ন, সালাম নিজেই যদি আত্মহত্যা করে থাকেন, তাহলে দড়িটি কাটা অবস্থায় পাওয়া গেল কেন?
এ ছাড়া জানালার শিকের উচ্চতা, মরদেহের অবস্থান এবং দড়ির প্রকৃতি নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, ঘটনাস্থলের প্রতিটি আলামত গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করতে হবে।
তবে এসব অসংগতি একাই হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ নয়। দড়িটি কখন ও কীভাবে কাটা হয়েছে, মরদেহ উদ্ধারের আগে ঘটনাস্থলে কোনো পরিবর্তন করা হয়েছিল কি না এবং মৃত্যুর সময় সেখানে অন্য কেউ উপস্থিত ছিলেন কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

অপমৃত্যু থেকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা
ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে অপমৃত্যু মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হলেও পরবর্তী সময়ে নিহতের স্বজনদের অভিযোগ ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।

তদন্তকারী কর্মকর্তার ভাষ্য, “ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। প্রাথমিক পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনায় ৩০৬ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আমরা প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছি এবং ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছি। প্রতিবেদনে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

পরিবারের দাবি, ‘আমরা প্রকৃত ঘটনা জানতে চাই’
সালামের মৃত্যুর পর থেকেই শোকের পাশাপাশি ক্ষোভ বিরাজ করছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখিয়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে।

নিহতের এক স্বজন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলেকে টাকার জন্য পিটিয়ে মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশ প্রথমে এটাকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলেছিল। দড়ি কাটা কেন থাকবে? আমাদের দাবি, সব আসামি ও নেপথ্যে যারা রয়েছে, তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক।”
পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তদন্তের অপেক্ষায় তেলিকান্দি সালাম আহমেদের মৃত্যু ঘিরে তেলিকান্দি গ্রামে এখন নানা আলোচনা চলছে। মৃত্যুর আগের দিনের বিরোধ, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, রহস্যময় ফোনকল এবং কাটা দড়ি—প্রতিটি বিষয়ই তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বিশেষ করে সালামের মোবাইল ফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর), ঘটনাস্থলের আলামত, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক পরীক্ষার ফলাফল থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

সালাম কি আত্মহত্যায় প্ররোচনার শিকার হয়েছিলেন,
নাকি তাঁর মৃত্যুর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো অপরাধ? এ প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটিত হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা আইনের আওতায় আসবেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলের সালামের মৃত্যু ঘিরে রহস্য, প্রশ্ন জানালার শিকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন সজনদের দাবি

Update Time : ১১:৫২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধিঃ :: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার তেলিকান্দি গ্রামে মো. সালাম আহমেদের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ঘরের জানালার শিকের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার, পাশে পড়ে থাকা কাটা নাইলনের দড়ি এবং মৃত্যুর আগের দিন মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ—সব মিলিয়ে ঘটনাটি ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য।

নিহতের পরিবারের দাবি, সালামকে পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টাও করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। তবে পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যায় প্ররোচনার উপাদান পাওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

মৃত্যুর আগের দিন কী ঘটেছিল?নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ১৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অর্থ লেনদেন ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সালামের সঙ্গে কয়েকজনের বিরোধ দেখা দেয়। এ সময় তাঁকে মারধর করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন তাঁরা।

স্বজনদের ভাষ্য, সালামকে প্রকাশ্যে ‘লাশ বানিয়ে ফেলার’ হুমকি দেওয়া হয়েছিল। ওই ঘটনার পরদিনই তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

১৮ অক্টোবর ভোরে সালামের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সকাল আনুমানিক ছয়টার দিকে একটি ফোনকল পাওয়ার পর তাঁরা ঘরে গিয়ে জানালার শিকের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালামের মরদেহ দেখতে পান।

কিন্তু মৃত্যুর আগে তাঁর সঙ্গে কী ঘটেছিল, কারা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং কীভাবে তিনি মারা গেলেন—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা।
কাটা নাইলনের দড়ি, ঘটনাস্থল ঘিরে সন্দেহ
ঘটনাস্থলে পাওয়া কাটা নাইলনের দড়িটি এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়। নিহতের স্বজনদের প্রশ্ন, সালাম নিজেই যদি আত্মহত্যা করে থাকেন, তাহলে দড়িটি কাটা অবস্থায় পাওয়া গেল কেন?
এ ছাড়া জানালার শিকের উচ্চতা, মরদেহের অবস্থান এবং দড়ির প্রকৃতি নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, ঘটনাস্থলের প্রতিটি আলামত গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করতে হবে।
তবে এসব অসংগতি একাই হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ নয়। দড়িটি কখন ও কীভাবে কাটা হয়েছে, মরদেহ উদ্ধারের আগে ঘটনাস্থলে কোনো পরিবর্তন করা হয়েছিল কি না এবং মৃত্যুর সময় সেখানে অন্য কেউ উপস্থিত ছিলেন কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

অপমৃত্যু থেকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা
ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে অপমৃত্যু মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হলেও পরবর্তী সময়ে নিহতের স্বজনদের অভিযোগ ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।

তদন্তকারী কর্মকর্তার ভাষ্য, “ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। প্রাথমিক পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনায় ৩০৬ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আমরা প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছি এবং ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছি। প্রতিবেদনে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

পরিবারের দাবি, ‘আমরা প্রকৃত ঘটনা জানতে চাই’
সালামের মৃত্যুর পর থেকেই শোকের পাশাপাশি ক্ষোভ বিরাজ করছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখিয়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে।

নিহতের এক স্বজন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলেকে টাকার জন্য পিটিয়ে মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশ প্রথমে এটাকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলেছিল। দড়ি কাটা কেন থাকবে? আমাদের দাবি, সব আসামি ও নেপথ্যে যারা রয়েছে, তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক।”
পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তদন্তের অপেক্ষায় তেলিকান্দি সালাম আহমেদের মৃত্যু ঘিরে তেলিকান্দি গ্রামে এখন নানা আলোচনা চলছে। মৃত্যুর আগের দিনের বিরোধ, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, রহস্যময় ফোনকল এবং কাটা দড়ি—প্রতিটি বিষয়ই তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বিশেষ করে সালামের মোবাইল ফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর), ঘটনাস্থলের আলামত, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক পরীক্ষার ফলাফল থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

সালাম কি আত্মহত্যায় প্ররোচনার শিকার হয়েছিলেন,
নাকি তাঁর মৃত্যুর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো অপরাধ? এ প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটিত হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা আইনের আওতায় আসবেন।