Dhaka ১১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি ব্যাংকের মধ্যে প্রথম মাস্টারকার্ডের লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

Reporter Name
  • Update Time : ১০:০২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৪ Time View

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের সরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা রেখে প্রথমবার মাস্টারকার্ডের আনুষ্ঠানিক লাইসেন্স অর্জন করেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। কার্ডভিত্তিক আধুনিক ব্যাংকিং সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য নিয়ে এই ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত এই ব্যাংকটি। এর মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতের আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা প্রদানে ব্যাংকটি এক ধাপ এগিয়ে গেল।

সম্প্রতি রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে আয়োজিত এক অনাড়জমক অনুষ্ঠানে এই লাইসেন্স হস্তান্তর করা হয়। মাস্টারকার্ডের দক্ষিণ এশিয়ার ডিভিশন প্রেসিডেন্ট এবং ভারতের কান্ট্রি করপোরেট অফিসার গৌতম আগরওয়াল স্বয়ং উপস্থিত থেকে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলীর হাতে এই লাইসেন্স তুলে দেন। এই অংশীদারিত্বের ফলে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী বলেন যে, এই লাইসেন্স প্রাপ্তির মাধ্যমে তাদের ডিজিটাল ব্যাংকিং কার্যক্রমে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে গেছে। এর ফলে সম্মানিত গ্রাহকদের কার্ডভিত্তিক লেনদেনের সুযোগ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং ক্যাশলেস বা নগদবিহীন পেমেন্ট সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া অনেক সহজতর হবে।

অপরদিকে মাস্টারকার্ডের শীর্ষ কর্মকর্তা গৌতম আগরওয়াল আশা প্রকাশ করেন যে, কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখাবে। একইসঙ্গে এটি দেশের সার্বিক আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত ও গতিশীল করবে বলে তিনি মনে করেন।

উক্ত লাইসেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ ছাড়াও মাস্টারকার্ডের আঞ্চলিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের আইসিটি বিভাগের মহাব্যবস্থাপকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই অংশীদারিত্বের সুবাদে গ্রাহকরা অচিরেই আরও উন্নত, নিরাপদ ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবার সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সরকারি ব্যাংকের মধ্যে প্রথম মাস্টারকার্ডের লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

Update Time : ১০:০২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের সরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা রেখে প্রথমবার মাস্টারকার্ডের আনুষ্ঠানিক লাইসেন্স অর্জন করেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। কার্ডভিত্তিক আধুনিক ব্যাংকিং সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য নিয়ে এই ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত এই ব্যাংকটি। এর মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতের আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা প্রদানে ব্যাংকটি এক ধাপ এগিয়ে গেল।

সম্প্রতি রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে আয়োজিত এক অনাড়জমক অনুষ্ঠানে এই লাইসেন্স হস্তান্তর করা হয়। মাস্টারকার্ডের দক্ষিণ এশিয়ার ডিভিশন প্রেসিডেন্ট এবং ভারতের কান্ট্রি করপোরেট অফিসার গৌতম আগরওয়াল স্বয়ং উপস্থিত থেকে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলীর হাতে এই লাইসেন্স তুলে দেন। এই অংশীদারিত্বের ফলে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী বলেন যে, এই লাইসেন্স প্রাপ্তির মাধ্যমে তাদের ডিজিটাল ব্যাংকিং কার্যক্রমে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে গেছে। এর ফলে সম্মানিত গ্রাহকদের কার্ডভিত্তিক লেনদেনের সুযোগ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং ক্যাশলেস বা নগদবিহীন পেমেন্ট সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া অনেক সহজতর হবে।

অপরদিকে মাস্টারকার্ডের শীর্ষ কর্মকর্তা গৌতম আগরওয়াল আশা প্রকাশ করেন যে, কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখাবে। একইসঙ্গে এটি দেশের সার্বিক আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত ও গতিশীল করবে বলে তিনি মনে করেন।

উক্ত লাইসেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ ছাড়াও মাস্টারকার্ডের আঞ্চলিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের আইসিটি বিভাগের মহাব্যবস্থাপকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই অংশীদারিত্বের সুবাদে গ্রাহকরা অচিরেই আরও উন্নত, নিরাপদ ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবার সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।