বিশ্বশান্তির প্রার্থনায় সামিল লক্ষ লক্ষ মানুষ
- Update Time : ০৮:১২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২১৭ Time View
মুর্শিদাবাদ প্রতিনিধি::নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোরের আলো ফোটার আগেই চারদিক থেকে ভেসে আসছিল পদধ্বনি। লক্ষ্য একটাই—হুগলি জেলায় আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে জুম্মার নামাজে শরিক হওয়া। শুক্রবার সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গিয়ে ইজতেমা ময়দান ও তার পার্শ্ববর্তী কয়েক কিলোমিটার এলাকা কার্যত এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হলো। রাজ্যের প্রতিটি জেলা এবং প্রতিবেশী রাজ্যগুলো থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতিতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না ইজতেমা প্রাঙ্গণে।
ভোর থেকেই জনস্রোত
শুক্রবার জুম্মার নামাজকে কেন্দ্র করে এদিন সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে হুগলিতে। বাস, ট্রেন এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে করে দলে দলে মুসল্লিরা আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মূল প্যান্ডেল ছাড়িয়ে ভিড় ছড়িয়ে পড়ে সংলগ্ন রাস্তা, মাঠ এবং ফাঁকা জায়গায়। ভিড় এতটাই ছিল যে, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ইজতেমা ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতা
এত বড় জমায়েতকে সুশৃঙ্খল রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল ব্যাপক প্রস্তুতি। মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। ড্রোন এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে গোটা এলাকার ওপর নজরদারি চালানো হয়। যানজট এড়াতে ট্রাফিক পুলিশ ছিল বিশেষ তৎপর। পুলিশের পাশাপাশি ইজতেমা কমিটির কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক সাদা পোশাকে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং আগতদের সাহায্য করতে দিনভর কাজ করেন। জরুরি পরিস্থিতির জন্য মজুত ছিল মেডিক্যাল টিম ও অ্যাম্বুলেন্স।
মোনাজাতে বিশ্বশান্তির ডাক
শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয় জুম্মার নামাজ। খুতবা পাঠ শেষে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ মোনাজাত বা প্রার্থনা। সেখানে বিশ্বশান্তি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং মানবজাতির কল্যাণে বিশেষ দোয়া করা হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমবেত ‘আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
























