Dhaka ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্টাম্পের কণ্ঠে বিদায়ের সুর!

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির জয় নিশ্চিত করতে নানা কৌশল ও প্রতিশ্রুতির আশ্রয় নিয়েছিলেন সে দেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনী বৈতরণি পার হতে তিনি ভোটারদের কাছে অর্থনৈতিক প্রণোদনার আকর্ষণীয় প্রস্তাবও পেশ করেছিলেন। তবে এই নির্বাচনী প্রচারের মাঝেই তাঁর কণ্ঠে এক বিষণ্ন ও বিদায়ী সুর বেজে ওঠে, যা মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়ের সমাপ্তির ইঙ্গিত বহন করে।

কানসাসের স্যালিনা আঞ্চলিক বিমানবন্দরে নিজের নির্বাচনী প্রচারণার শেষ জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে একের পর এক সফল সমাবেশের পর তিনি স্যালিনায় এসে এই কার্যক্রমের ইতি টানেন। প্রায় এক দশক ধরে চলা তাঁর এই কোলাহলপূর্ণ ও জমকালো রাজনৈতিক জনসভার সমাপ্তি ঘোষণা করে তিনি জানান যে এটিই তাঁর শেষ আয়োজন।

বিভিন্ন জনসভায় ডোনাল্ড ট্রাম্প দলীয় রাজনীতিতে নিজের নিরঙ্কুশ আধিপত্য বারবার প্রমাণ করেছেন। তাঁর এই রাজনৈতিক সমাবেশগুলোতে রক কনসার্টের উন্মাদনা, ধর্মীয় পুনরুজ্জীবনের আমেজ এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উত্তেজনার এক অনন্য মিশ্রণ দেখা যেত। তবে রাষ্ট্রপতির মেয়াদের অন্তিম পর্যায়ে এসে তাঁকে এমন এক রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে ভক্তদের সেই উন্মাদনা আর গর্জনের দিনগুলো হয়তো ফুরিয়ে আসছে। ২০১৫ সালে প্রথম বড় ধরনের সমাবেশের পর থেকে তাঁর প্রচারণার এই আকর্ষণীয় ধরনে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি।

জনসভাগুলোর শুরুতে বিশেষ গান বাজানো এবং ট্রাম্পকে ত্রাণকর্তা হিসেবে তুলে ধরার ভিডিও প্রদর্শনী করা হতো। ভাষণে তিনি বরাবরই প্রতিপক্ষ দলের কঠোর সমালোচনা করতেন এবং নানা আলোচিত মন্তব্য টেনে আনতেন। ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তিনি দেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক প্রণোদনা বা লভ্যাংশ দেওয়ার বড় ধরনের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে মার্কিন রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে বদলে দেওয়া এই প্রচারণার শেষ মুহূর্তে তিনি তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দেন এবং চিরচেনা ভঙ্গিতে জনপ্রিয় গানের তালে তালে সবাইকে বিদায় জানান।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

৬

ট্টাম্পের কণ্ঠে বিদায়ের সুর!

Update Time : ০৬:৪৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির জয় নিশ্চিত করতে নানা কৌশল ও প্রতিশ্রুতির আশ্রয় নিয়েছিলেন সে দেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনী বৈতরণি পার হতে তিনি ভোটারদের কাছে অর্থনৈতিক প্রণোদনার আকর্ষণীয় প্রস্তাবও পেশ করেছিলেন। তবে এই নির্বাচনী প্রচারের মাঝেই তাঁর কণ্ঠে এক বিষণ্ন ও বিদায়ী সুর বেজে ওঠে, যা মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়ের সমাপ্তির ইঙ্গিত বহন করে।

কানসাসের স্যালিনা আঞ্চলিক বিমানবন্দরে নিজের নির্বাচনী প্রচারণার শেষ জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে একের পর এক সফল সমাবেশের পর তিনি স্যালিনায় এসে এই কার্যক্রমের ইতি টানেন। প্রায় এক দশক ধরে চলা তাঁর এই কোলাহলপূর্ণ ও জমকালো রাজনৈতিক জনসভার সমাপ্তি ঘোষণা করে তিনি জানান যে এটিই তাঁর শেষ আয়োজন।

বিভিন্ন জনসভায় ডোনাল্ড ট্রাম্প দলীয় রাজনীতিতে নিজের নিরঙ্কুশ আধিপত্য বারবার প্রমাণ করেছেন। তাঁর এই রাজনৈতিক সমাবেশগুলোতে রক কনসার্টের উন্মাদনা, ধর্মীয় পুনরুজ্জীবনের আমেজ এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উত্তেজনার এক অনন্য মিশ্রণ দেখা যেত। তবে রাষ্ট্রপতির মেয়াদের অন্তিম পর্যায়ে এসে তাঁকে এমন এক রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে ভক্তদের সেই উন্মাদনা আর গর্জনের দিনগুলো হয়তো ফুরিয়ে আসছে। ২০১৫ সালে প্রথম বড় ধরনের সমাবেশের পর থেকে তাঁর প্রচারণার এই আকর্ষণীয় ধরনে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি।

জনসভাগুলোর শুরুতে বিশেষ গান বাজানো এবং ট্রাম্পকে ত্রাণকর্তা হিসেবে তুলে ধরার ভিডিও প্রদর্শনী করা হতো। ভাষণে তিনি বরাবরই প্রতিপক্ষ দলের কঠোর সমালোচনা করতেন এবং নানা আলোচিত মন্তব্য টেনে আনতেন। ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তিনি দেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক প্রণোদনা বা লভ্যাংশ দেওয়ার বড় ধরনের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে মার্কিন রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে বদলে দেওয়া এই প্রচারণার শেষ মুহূর্তে তিনি তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দেন এবং চিরচেনা ভঙ্গিতে জনপ্রিয় গানের তালে তালে সবাইকে বিদায় জানান।