Dhaka ০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংঘর্ষের পর পুলিশের বিশেষ অভিযান

আব্দুর রাজ্জাক
  • Update Time : ০৯:২৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • / ৫৮ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি::ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের সূর্যকান্দি ও ধরন্তী গ্রামের মধ্যে টানা তিন দিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। আজ সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম ও সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) মনজুরুল কাদের ভূঁইয়া নেতৃত্বে কালিকচ্ছ ও সূর্যকান্দি এলাকায় এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। এ সময় এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ টেঁটা ও বল্লমসহ বিভিন্ন মারাত্মক দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিকচ্ছ বাজারে পাওনা টাকার বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দারা লাঠিসোঁটা, রামদা এবং বল্লম নিয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তিন দিন ধরে চলা দফায় দফায় এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের বল্লমের আঘাতে ধরন্তী গ্রামের মো. খাদিম (৪৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের জেরে উত্তেজনা আরও তীব্র রূপ নিলে কালিকচ্ছ বাজারের বহু দোকানপাটে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

হাদিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরাইল থানায় ৪২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে।

সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মনজুরুল কাদের ভূঁইয়া জানান, “এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নতুন করে যেন কোনো সংঘর্ষ না ঘটে, সেজন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের এই বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।” বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সংঘর্ষের পর পুলিশের বিশেষ অভিযান

Update Time : ০৯:২৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি::ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের সূর্যকান্দি ও ধরন্তী গ্রামের মধ্যে টানা তিন দিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। আজ সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম ও সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) মনজুরুল কাদের ভূঁইয়া নেতৃত্বে কালিকচ্ছ ও সূর্যকান্দি এলাকায় এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। এ সময় এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ টেঁটা ও বল্লমসহ বিভিন্ন মারাত্মক দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিকচ্ছ বাজারে পাওনা টাকার বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দারা লাঠিসোঁটা, রামদা এবং বল্লম নিয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তিন দিন ধরে চলা দফায় দফায় এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের বল্লমের আঘাতে ধরন্তী গ্রামের মো. খাদিম (৪৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের জেরে উত্তেজনা আরও তীব্র রূপ নিলে কালিকচ্ছ বাজারের বহু দোকানপাটে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

হাদিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরাইল থানায় ৪২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে।

সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মনজুরুল কাদের ভূঁইয়া জানান, “এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নতুন করে যেন কোনো সংঘর্ষ না ঘটে, সেজন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের এই বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।” বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।