Dhaka ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্টিফেন মিলারকে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ করলেন ট্রাম্প

Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৪ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বড় ধরনের একটি প্রশাসনিক পরিবর্তনের ঘোষণা এসেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে মনোনীত করেছেন। এই দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক প্রভাবশালী ভূমিকার অবতীর্ণ হতে যাচ্ছেন। আগামী সপ্তাহে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

এর আগে এই মর্যাদাপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন সুসি ওয়াইলস। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব সামলানোর ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছিলেন। তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে এখন স্টিফেন মিলার হোয়াইট হাউসের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রশাসনিক নীতিনির্ধারণের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদের রূপরেখা তৈরিতে এই পরিবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত স্টিফেন মিলার অতীতেও গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে অভিবাসন নীতি প্রণয়ন এবং কঠোর অবস্থান গ্রহণের ক্ষেত্রে তার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি হোয়াইট হাউসের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ট্রাম্পের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রধান ভূমিকা পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের এই শীর্ষ পদের দায়িত্ব হস্তান্তরের বিষয়টি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সুসি ওয়াইলসের বিদায় এবং স্টিফেন মিলারের স্থলাভিষিক্ত হওয়া ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ কাঠামোর নতুন সমীকরণকে ফুটিয়ে তোলে। আগামী দিনগুলোতে হোয়াইট হাউসের কার্যক্রমে এই নেতৃত্বের পরিবর্তনের গভীর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও মার্কিন রাজনীতি বিশেষজ্ঞরা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

স্টিফেন মিলারকে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ করলেন ট্রাম্প

Update Time : ০২:৪৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বড় ধরনের একটি প্রশাসনিক পরিবর্তনের ঘোষণা এসেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে মনোনীত করেছেন। এই দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক প্রভাবশালী ভূমিকার অবতীর্ণ হতে যাচ্ছেন। আগামী সপ্তাহে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

এর আগে এই মর্যাদাপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন সুসি ওয়াইলস। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব সামলানোর ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছিলেন। তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে এখন স্টিফেন মিলার হোয়াইট হাউসের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রশাসনিক নীতিনির্ধারণের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদের রূপরেখা তৈরিতে এই পরিবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত স্টিফেন মিলার অতীতেও গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে অভিবাসন নীতি প্রণয়ন এবং কঠোর অবস্থান গ্রহণের ক্ষেত্রে তার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি হোয়াইট হাউসের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ট্রাম্পের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রধান ভূমিকা পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের এই শীর্ষ পদের দায়িত্ব হস্তান্তরের বিষয়টি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সুসি ওয়াইলসের বিদায় এবং স্টিফেন মিলারের স্থলাভিষিক্ত হওয়া ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ কাঠামোর নতুন সমীকরণকে ফুটিয়ে তোলে। আগামী দিনগুলোতে হোয়াইট হাউসের কার্যক্রমে এই নেতৃত্বের পরিবর্তনের গভীর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও মার্কিন রাজনীতি বিশেষজ্ঞরা।