Dhaka ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সড়কের কাজে ধীরগতি সীমাহীন জনদুর্ভোগ

আব্দুর রাজ্জাক
  • Update Time : ১০:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • / ২৪ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি::ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ চারগাছ–তিনলাখপীর সড়কের প্রশস্তকরণ কাজ দীর্ঘদিন ধরে চললেও ধীরগতির কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। সড়কের বিভিন্ন অংশ বেহাল হয়ে পড়ায় প্রতিদিন চরম ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ ও যানবাহনের চালকরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের ধীরগতি, নিম্নমানের নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকির অভাবেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাদৈর বাজার থেকে চারগাছ পর্যন্ত সড়কের বেশ কয়েকটি অংশ চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কোথাও খানাখন্দ, কোথাও ধুলাবালির কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এ সড়ক ব্যবহারকারী হাজারো মানুষকে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির প্রশস্তকরণ কাজ চললেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি নেই। তাদের অভিযোগ, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির পাশাপাশি কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এ কারণে জনদুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রকল্পটির যথাযথ তদারকি না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইচ্ছামতো কাজ করছে। ফলে সরকারি অর্থে বাস্তবায়নাধীন এ উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল থেকে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কসবা উপজেলা এলজিইডির সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তার কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

সড়ক ব্যবহারকারীরা দ্রুত কাজের গতি বাড়িয়ে নির্ধারিত মান বজায় রেখে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের কাজের গুণগত মান, অগ্রগতি এবং তদারকির বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই সংস্করণে অভিযোগ ও তথ্যকে পৃথক রেখে, ভারসাম্যপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে—যা প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকার সংবাদ উপস্থাপনার সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সড়কের কাজে ধীরগতি সীমাহীন জনদুর্ভোগ

Update Time : ১০:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি::ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ চারগাছ–তিনলাখপীর সড়কের প্রশস্তকরণ কাজ দীর্ঘদিন ধরে চললেও ধীরগতির কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। সড়কের বিভিন্ন অংশ বেহাল হয়ে পড়ায় প্রতিদিন চরম ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ ও যানবাহনের চালকরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের ধীরগতি, নিম্নমানের নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকির অভাবেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাদৈর বাজার থেকে চারগাছ পর্যন্ত সড়কের বেশ কয়েকটি অংশ চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কোথাও খানাখন্দ, কোথাও ধুলাবালির কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এ সড়ক ব্যবহারকারী হাজারো মানুষকে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির প্রশস্তকরণ কাজ চললেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি নেই। তাদের অভিযোগ, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির পাশাপাশি কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এ কারণে জনদুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রকল্পটির যথাযথ তদারকি না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইচ্ছামতো কাজ করছে। ফলে সরকারি অর্থে বাস্তবায়নাধীন এ উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল থেকে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কসবা উপজেলা এলজিইডির সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তার কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

সড়ক ব্যবহারকারীরা দ্রুত কাজের গতি বাড়িয়ে নির্ধারিত মান বজায় রেখে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের কাজের গুণগত মান, অগ্রগতি এবং তদারকির বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই সংস্করণে অভিযোগ ও তথ্যকে পৃথক রেখে, ভারসাম্যপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে—যা প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকার সংবাদ উপস্থাপনার সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।