Dhaka ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুরগির খামারের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

মাটি মামুন
  • Update Time : ০৩:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৫৯ Time View

রংপুর জেলা প্রতিনিধি::রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নে একটি মুরগির খামারকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। খামার থেকে নির্গত দুর্গন্ধে নাকাল হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিন সূত্রে জানা যায় রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার ৭- মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮-নং ওয়ার্ড আলফাজ টাড়ী গ্রামের বাসিন্দা নূরমোহাম্মদ এর পুত্র রুবেল (১৯) খামারটি পরিচালনা করছেন।

তবে খামারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রুবেল মিয়াকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তিনি সাংবাদিক দের জানান আমি আপনাদের দুই দিনের মধ্যে কাগজপত্র দেখাবো। খামারের পাশেই বসবাস করেন মজিদুল মিয়া। তিনি বলেন, এই খামারটি স্থাপন করার পর থেকেই আমাদের বাড়িতে নানা ধরনের রোগ-ব্যাধি লেগেই আছে। বিষয়টি নিয়ে রুবেল মিয়াকে বলতে গেলে সে উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং মারধরের হুমকি দেয়।

এলাকার আরেক বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন,খামারটি হওয়ার পর থেকে এই রাস্তা দিয়ে গন্ধের জন্য হাঁটা যায় না। বাধ্য হয়ে আমরা বিকল্প রাস্তা দিয়ে চলাচল করি।

একই এলাকার সাত্তার মিয়া জানান,
খামারের দুর্গন্ধের কারণে আমাদের শরীর খারাপ হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে এলাকার প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে।
এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন, যেন খামারটির বৈধতা যাচাই এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মৃধা প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে এখন অবগত হলাম। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

মুরগির খামারের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

Update Time : ০৩:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রংপুর জেলা প্রতিনিধি::রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নে একটি মুরগির খামারকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। খামার থেকে নির্গত দুর্গন্ধে নাকাল হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিন সূত্রে জানা যায় রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার ৭- মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮-নং ওয়ার্ড আলফাজ টাড়ী গ্রামের বাসিন্দা নূরমোহাম্মদ এর পুত্র রুবেল (১৯) খামারটি পরিচালনা করছেন।

তবে খামারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রুবেল মিয়াকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তিনি সাংবাদিক দের জানান আমি আপনাদের দুই দিনের মধ্যে কাগজপত্র দেখাবো। খামারের পাশেই বসবাস করেন মজিদুল মিয়া। তিনি বলেন, এই খামারটি স্থাপন করার পর থেকেই আমাদের বাড়িতে নানা ধরনের রোগ-ব্যাধি লেগেই আছে। বিষয়টি নিয়ে রুবেল মিয়াকে বলতে গেলে সে উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং মারধরের হুমকি দেয়।

এলাকার আরেক বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন,খামারটি হওয়ার পর থেকে এই রাস্তা দিয়ে গন্ধের জন্য হাঁটা যায় না। বাধ্য হয়ে আমরা বিকল্প রাস্তা দিয়ে চলাচল করি।

একই এলাকার সাত্তার মিয়া জানান,
খামারের দুর্গন্ধের কারণে আমাদের শরীর খারাপ হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে এলাকার প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে।
এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন, যেন খামারটির বৈধতা যাচাই এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মৃধা প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে এখন অবগত হলাম। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।