Dhaka ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাকা কোথায় ছাপানো হয়, কাঁচামাল আসে যেভাবে

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৫ Time View

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের মুদ্রা বা নোট মুদ্রণের কাজটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া। এই পুরো কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বছরের শুরুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এই কাজে অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয় যাতে সেরা মানের কাঁচামাল নিশ্চিত করা যায়।

কাঁচামাল সরবরাহের জন্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম আহ্বান করার পর শুরু হয় কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান চূড়ান্ত করা হয়। মুদ্রা তৈরির এই উপকরণগুলো অত্যন্ত বিশেষায়িত হওয়ায় সাধারণ কোনো উৎস থেকে এগুলো সংগ্রহ করার কোনো সুযোগ থাকে না।

টাকা ছাপানোর মূল উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশেষ ধরনের কাগজ বা সুতার মিশ্রণ এবং বিশেষ কালি। এই কাঁচামালগুলো সাধারণ কাগজ বা কালির মতো নয়, বরং এগুলো অত্যন্ত টেকসই এবং বিশেষ নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যযুক্ত হয়ে থাকে। জাল নোট তৈরি প্রতিরোধ করার জন্য এসব উপকরণের গোপনীয়তা ও মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

মুদ্রণ প্রক্রিয়ায় প্রতিটি নোটের ধরন ও মূল্যমানের ওপর ভিত্তি করে খরচের তারতম্য হয়ে থাকে। একেকটি নোট উৎপাদনে যে ব্যয় হয়, তার পরিমাণ নোটের কাগজের মান এবং ব্যবহৃত নিরাপত্তার বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবসময় এই পুরো প্রক্রিয়ার ওপর কঠোর নজরদারি বজায় রাখে যাতে মুদ্রণ ব্যয় যৌক্তিক থাকে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

টাকা কোথায় ছাপানো হয়, কাঁচামাল আসে যেভাবে

Update Time : ০৬:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের মুদ্রা বা নোট মুদ্রণের কাজটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া। এই পুরো কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বছরের শুরুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এই কাজে অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয় যাতে সেরা মানের কাঁচামাল নিশ্চিত করা যায়।

কাঁচামাল সরবরাহের জন্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম আহ্বান করার পর শুরু হয় কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান চূড়ান্ত করা হয়। মুদ্রা তৈরির এই উপকরণগুলো অত্যন্ত বিশেষায়িত হওয়ায় সাধারণ কোনো উৎস থেকে এগুলো সংগ্রহ করার কোনো সুযোগ থাকে না।

টাকা ছাপানোর মূল উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশেষ ধরনের কাগজ বা সুতার মিশ্রণ এবং বিশেষ কালি। এই কাঁচামালগুলো সাধারণ কাগজ বা কালির মতো নয়, বরং এগুলো অত্যন্ত টেকসই এবং বিশেষ নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যযুক্ত হয়ে থাকে। জাল নোট তৈরি প্রতিরোধ করার জন্য এসব উপকরণের গোপনীয়তা ও মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

মুদ্রণ প্রক্রিয়ায় প্রতিটি নোটের ধরন ও মূল্যমানের ওপর ভিত্তি করে খরচের তারতম্য হয়ে থাকে। একেকটি নোট উৎপাদনে যে ব্যয় হয়, তার পরিমাণ নোটের কাগজের মান এবং ব্যবহৃত নিরাপত্তার বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবসময় এই পুরো প্রক্রিয়ার ওপর কঠোর নজরদারি বজায় রাখে যাতে মুদ্রণ ব্যয় যৌক্তিক থাকে।