Dhaka ১১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইয়াবাসহ আটক

জামাল উদ্দীন
  • Update Time : ০৯:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ৪৮ Time View

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি::কক্সবাজারের টেকনাফে সীমান্তবর্তী নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচারের সময় ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

বুধবার (১ জুলাই ২০২৬) দিবাগত রাতের অভিযানে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) শাহপরীরদ্বীপ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় শাহপরীরদ্বীপ জেটি থেকে প্রায় ৯০০ মিটার দক্ষিণে নাফ নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে একটি বড় মাদকের চালান নাফ নদী অতিক্রম করে শাহপরীরদ্বীপ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অধিনায়ক, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় বিজিবির একটি আভিযানিক দল রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে ঘটনাস্থলে গোপনে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।

পরে রাত আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে প্রযুক্তিগত নজরদারিতে নাফ নদীর মিয়ানমার অংশে একটি হস্তচালিত নৌকার সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত হয়। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষণ করে বিজিবি নিশ্চিত হয়, নৌকাটিতে বিপুল পরিমাণ মাদক বহন করা হচ্ছে। এ সময় বিজিবির নৌ টহল দল নদীতে অবস্থান নিয়ে নৌকাটির ওপর নজরদারি শুরু করে।

একপর্যায়ে চাঁদের আলোয় একজন ব্যক্তিকে দুটি বস্তা নিয়ে সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায়। বিজিবির সদস্যরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করেন। পরে তার সঙ্গে থাকা দুটি বস্তা তল্লাশি করে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাগীর হোসেন (২৮)। তিনি আব্দুল হক ও ফাতেমা খাতুনের ছেলে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান, অবৈধ পণ্য পাচার এবং সীমান্ত এলাকায় সংঘটিত অন্যান্য অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করতে রাডারভিত্তিক নজরদারি, গোয়েন্দা কার্যক্রম, নিয়মিত স্থল ও নৌ টহল এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আটক আসামি ও জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ইয়াবাসহ আটক

Update Time : ০৯:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি::কক্সবাজারের টেকনাফে সীমান্তবর্তী নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচারের সময় ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

বুধবার (১ জুলাই ২০২৬) দিবাগত রাতের অভিযানে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) শাহপরীরদ্বীপ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় শাহপরীরদ্বীপ জেটি থেকে প্রায় ৯০০ মিটার দক্ষিণে নাফ নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে একটি বড় মাদকের চালান নাফ নদী অতিক্রম করে শাহপরীরদ্বীপ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অধিনায়ক, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় বিজিবির একটি আভিযানিক দল রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে ঘটনাস্থলে গোপনে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।

পরে রাত আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে প্রযুক্তিগত নজরদারিতে নাফ নদীর মিয়ানমার অংশে একটি হস্তচালিত নৌকার সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত হয়। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষণ করে বিজিবি নিশ্চিত হয়, নৌকাটিতে বিপুল পরিমাণ মাদক বহন করা হচ্ছে। এ সময় বিজিবির নৌ টহল দল নদীতে অবস্থান নিয়ে নৌকাটির ওপর নজরদারি শুরু করে।

একপর্যায়ে চাঁদের আলোয় একজন ব্যক্তিকে দুটি বস্তা নিয়ে সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায়। বিজিবির সদস্যরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করেন। পরে তার সঙ্গে থাকা দুটি বস্তা তল্লাশি করে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাগীর হোসেন (২৮)। তিনি আব্দুল হক ও ফাতেমা খাতুনের ছেলে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান, অবৈধ পণ্য পাচার এবং সীমান্ত এলাকায় সংঘটিত অন্যান্য অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করতে রাডারভিত্তিক নজরদারি, গোয়েন্দা কার্যক্রম, নিয়মিত স্থল ও নৌ টহল এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আটক আসামি ও জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান