Dhaka ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৬ ঘণ্টা সরবরাহ বন্ধ থাকবে, চট্টগ্রামে কমতে পারে গ্যাসের চাপ

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩০:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১ Time View

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী কিছুদিন পর টানা ৩৬ ঘণ্টা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই নির্ধারিত সময়ে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ফলে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে বুধবার সকাল আটটা থেকে বৃহস্পতিবার রাত আটটা পর্যন্ত টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে। সামিট গ্রুপের এই ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটির স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন প্রায় পাঁচশ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করার সক্ষমতা রয়েছে। ফলে এই টার্মিনাল থেকে সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে এলএনজির সামগ্রিক প্রবাহ কমে যাবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে স্থানীয় গ্রাহকদের ওপর।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের আওতাধীন এলাকায় গ্যাসের স্বাভাবিক দৈনিক চাহিদা প্রায় সাড়ে তিনশ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও সাধারণত এর চেয়ে কম গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায়। মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে এই অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। সামিটের পাশাপাশি এক্সিলারেট এনার্জি নামক আরেকটি টার্মিনালও এই কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে এবং এই দুটি টার্মিনাল মিলিয়ে দিনে প্রায় এগারো শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হয়।

এদিকে হঠাৎ গ্যাস সরবরাহের এই সাময়িক বিঘ্ন ঘটার কারণে কর্ণফুলী গ্যাসের আওতাধীন এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহককে গ্যাসের স্বল্প চাপজনিত নানামুখী সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারে। রান্নাবান্না থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানার উৎপাদনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর আগেও এই টার্মিনালে বিভিন্ন সময় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

৩৬ ঘণ্টা সরবরাহ বন্ধ থাকবে, চট্টগ্রামে কমতে পারে গ্যাসের চাপ

Update Time : ০৩:৩০:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী কিছুদিন পর টানা ৩৬ ঘণ্টা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই নির্ধারিত সময়ে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ফলে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে বুধবার সকাল আটটা থেকে বৃহস্পতিবার রাত আটটা পর্যন্ত টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে। সামিট গ্রুপের এই ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটির স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন প্রায় পাঁচশ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করার সক্ষমতা রয়েছে। ফলে এই টার্মিনাল থেকে সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে এলএনজির সামগ্রিক প্রবাহ কমে যাবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে স্থানীয় গ্রাহকদের ওপর।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের আওতাধীন এলাকায় গ্যাসের স্বাভাবিক দৈনিক চাহিদা প্রায় সাড়ে তিনশ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও সাধারণত এর চেয়ে কম গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায়। মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে এই অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। সামিটের পাশাপাশি এক্সিলারেট এনার্জি নামক আরেকটি টার্মিনালও এই কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে এবং এই দুটি টার্মিনাল মিলিয়ে দিনে প্রায় এগারো শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হয়।

এদিকে হঠাৎ গ্যাস সরবরাহের এই সাময়িক বিঘ্ন ঘটার কারণে কর্ণফুলী গ্যাসের আওতাধীন এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহককে গ্যাসের স্বল্প চাপজনিত নানামুখী সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারে। রান্নাবান্না থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানার উৎপাদনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর আগেও এই টার্মিনালে বিভিন্ন সময় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল।