Dhaka ১০:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২ Time View

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজার থেকে আট শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উদ্দেশে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন পর প্রমোদতরীগুলো সাগরে যাত্রা করায় পর্যটকদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে। এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলী এবং এমভি টেকনাফ নামের তিনটি জলযান যাত্রী নিয়ে নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়। সরকারি সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই মূলত এই নৌরুটে নিয়মিত যাতায়াত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এর আগে গত ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য প্রবাল দ্বীপে ভ্রমণের সুযোগ উন্মুক্ত করা হয়েছিল। তবে নানা ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা এবং দাপ্তরিক অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় এতদিন জলযান চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ছাড়পত্র এবং জেলা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক সম্মতি পাওয়ার পর যাতায়াতের পথ সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়।

সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা না রেখে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেই এই যাত্রা শুরু করা হয়েছে। এই সংগঠনটির পক্ষ থেকে আগেই জলযান চলাচলের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় এবার পর্যটন মৌসুমে ভ্রমণপিপাসুরা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে দ্বীপটি ভ্রমণ করতে পারবেন।

নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে পর্যটকদের নিয়ে জলযানগুলো সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। অনুমোদনপ্রাপ্ত এই তিনটি জলযানের মোট যাত্রী ধারণক্ষমতা দুই হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ায় আটশ পঞ্চাশ জন, এমভি কর্ণফুলিতে সাতশ বত্রিশ জন এবং এমভি টেকনাফে সাতশ ষোলো জন যাত্রী ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু

Update Time : ০৯:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজার থেকে আট শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উদ্দেশে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন পর প্রমোদতরীগুলো সাগরে যাত্রা করায় পর্যটকদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে। এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলী এবং এমভি টেকনাফ নামের তিনটি জলযান যাত্রী নিয়ে নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়। সরকারি সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই মূলত এই নৌরুটে নিয়মিত যাতায়াত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এর আগে গত ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য প্রবাল দ্বীপে ভ্রমণের সুযোগ উন্মুক্ত করা হয়েছিল। তবে নানা ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা এবং দাপ্তরিক অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় এতদিন জলযান চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ছাড়পত্র এবং জেলা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক সম্মতি পাওয়ার পর যাতায়াতের পথ সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়।

সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা না রেখে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেই এই যাত্রা শুরু করা হয়েছে। এই সংগঠনটির পক্ষ থেকে আগেই জলযান চলাচলের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় এবার পর্যটন মৌসুমে ভ্রমণপিপাসুরা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে দ্বীপটি ভ্রমণ করতে পারবেন।

নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে পর্যটকদের নিয়ে জলযানগুলো সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। অনুমোদনপ্রাপ্ত এই তিনটি জলযানের মোট যাত্রী ধারণক্ষমতা দুই হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ায় আটশ পঞ্চাশ জন, এমভি কর্ণফুলিতে সাতশ বত্রিশ জন এবং এমভি টেকনাফে সাতশ ষোলো জন যাত্রী ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে।