Dhaka ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বীরগঞ্জে ইসলামী আন্দোলনের থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মোয়াজ্জেম সরকার রুবেল
  • Update Time : ০৭:৪৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১০২ Time View

দিনাজপুর প্রতিনিধি :: মুক্তির মূলমন্ত্র, ইসলামী শাসনতন্ত্র এবং “ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনীতি, কল্যাণমুখী রাজনীতি ও শরীয়াহ ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় নীতির পরিবর্তন চাই”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় বীরগঞ্জ ঠাকুরগাঁও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তাজমহল মোড়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা মাসউদুর রহমান।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা সোহরাব হোসাইন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুফতি খাইরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোঃ ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক (১) হাফেজ মাহদী হাসান এবং আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মোঃ চাঁন মিয়া।

সভাপতির বক্তব্যে হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আজ মানুষ প্রচলিত রাজনীতির প্রতি আস্থা হারিয়েছে। দূর্নীতি, বৈষম্য ও শোষণ থেকে মুক্তির একমাত্র মূলমন্ত্র হলো ইসলামী শাসনতন্ত্র। ইসলাম ছাড়া কখনোই ইনসাফপূর্ণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।”

প্রধান বক্তার বক্তব্যে অধ্যক্ষ মুফতি খাইরুজ্জামান বলেন, “দেশে ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনীতি আজ অনুপস্থিত। ধনী আরও ধনী হচ্ছে, গরীব আরও গরীব হচ্ছে। ইসলামী অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই এই ভারসাম্যহীনতা দূর করা সম্ভব। কল্যাণমুখী রাজনীতিই পারে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে।”

বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, “শুধু নেতা পরিবর্তনে দেশের পরিবর্তন হবে না, নীতির পরিবর্তন লাগবে। প্রচলিত মানব রচিত মতবাদ দিয়ে শান্তি আসবে না। শরীয়াহ ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই দেশে প্রকৃত শান্তি ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব।”

সম্মেলন শেষে কর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এতে পুনরায় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন মাওলানা মাসউদুর রহমান।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বীরগঞ্জে ইসলামী আন্দোলনের থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৭:৪৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দিনাজপুর প্রতিনিধি :: মুক্তির মূলমন্ত্র, ইসলামী শাসনতন্ত্র এবং “ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনীতি, কল্যাণমুখী রাজনীতি ও শরীয়াহ ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় নীতির পরিবর্তন চাই”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় বীরগঞ্জ ঠাকুরগাঁও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তাজমহল মোড়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা মাসউদুর রহমান।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা সোহরাব হোসাইন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুফতি খাইরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোঃ ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক (১) হাফেজ মাহদী হাসান এবং আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মোঃ চাঁন মিয়া।

সভাপতির বক্তব্যে হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আজ মানুষ প্রচলিত রাজনীতির প্রতি আস্থা হারিয়েছে। দূর্নীতি, বৈষম্য ও শোষণ থেকে মুক্তির একমাত্র মূলমন্ত্র হলো ইসলামী শাসনতন্ত্র। ইসলাম ছাড়া কখনোই ইনসাফপূর্ণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।”

প্রধান বক্তার বক্তব্যে অধ্যক্ষ মুফতি খাইরুজ্জামান বলেন, “দেশে ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনীতি আজ অনুপস্থিত। ধনী আরও ধনী হচ্ছে, গরীব আরও গরীব হচ্ছে। ইসলামী অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই এই ভারসাম্যহীনতা দূর করা সম্ভব। কল্যাণমুখী রাজনীতিই পারে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে।”

বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, “শুধু নেতা পরিবর্তনে দেশের পরিবর্তন হবে না, নীতির পরিবর্তন লাগবে। প্রচলিত মানব রচিত মতবাদ দিয়ে শান্তি আসবে না। শরীয়াহ ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই দেশে প্রকৃত শান্তি ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব।”

সম্মেলন শেষে কর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এতে পুনরায় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন মাওলানা মাসউদুর রহমান।