Dhaka ০৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলা-ইংরেজির বাইরে তৃতীয় যে ভাষা শেখাতে চায় সরকার

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২ Time View

জাতীয় ডেস্ক: দেশের তরুণ সমাজকে দক্ষ করে বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে একটি যুগান্তকারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা হিসেবে ইতালীয় ভাষা শেখানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মূলত বিদেশে কাজের সুযোগ পাওয়া কর্মীদের ভাষাগত ও পেশাগত সক্ষমতা বাড়াতেই এই অভিনব কৌশল নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারে বাংলাদেশিদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে নীতিনির্ধারকরা আশা প্রকাশ করছেন।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই পরিকল্পনার কথা জানান সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। ‘ল্যাঙ্গুয়েজ, সিভিক অ্যান্ড প্রফেশনাল ট্রেনিং ফর স্কিলড মাইগ্রেশন টু ইতালি’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন মূল বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে ইতালির সফল প্রশিক্ষণ মডেলগুলো খুব দ্রুত সম্প্রসারণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন আরও বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে মাতৃভাষা ও ইংরেজির বাইরে অতিরিক্ত আরেকটি বিদেশি ভাষা শেখানোর বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইতালিতে বৈধ উপায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য চালু হওয়া বিশেষ প্রশিক্ষণ মডেল অনুসরণ করতে চায় প্রশাসন। এই লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসগুলোর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে সরকার। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর সার্বিক সহযোগিতায় ভবিষ্যতে এই কর্মসূচি আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রশিক্ষণার্থী ও যুবসমাজের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন সরকারের এই প্রতিনিধি। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বিদেশে কর্মপ্রত্যাশীদের যেকোনো প্রয়োজনে সবসময় পাশে রয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কেবল একটি বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়, বরং দেশের সামগ্রিক জনশক্তি রপ্তানি খাতের উন্নয়নের একটি সুদূরপ্রসারী মডেল। সঠিক দিকনির্দেশনা ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বাংলা-ইংরেজির বাইরে তৃতীয় যে ভাষা শেখাতে চায় সরকার

Update Time : ০৫:০১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের তরুণ সমাজকে দক্ষ করে বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে একটি যুগান্তকারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা হিসেবে ইতালীয় ভাষা শেখানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মূলত বিদেশে কাজের সুযোগ পাওয়া কর্মীদের ভাষাগত ও পেশাগত সক্ষমতা বাড়াতেই এই অভিনব কৌশল নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারে বাংলাদেশিদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে নীতিনির্ধারকরা আশা প্রকাশ করছেন।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই পরিকল্পনার কথা জানান সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। ‘ল্যাঙ্গুয়েজ, সিভিক অ্যান্ড প্রফেশনাল ট্রেনিং ফর স্কিলড মাইগ্রেশন টু ইতালি’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন মূল বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে ইতালির সফল প্রশিক্ষণ মডেলগুলো খুব দ্রুত সম্প্রসারণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন আরও বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে মাতৃভাষা ও ইংরেজির বাইরে অতিরিক্ত আরেকটি বিদেশি ভাষা শেখানোর বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইতালিতে বৈধ উপায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য চালু হওয়া বিশেষ প্রশিক্ষণ মডেল অনুসরণ করতে চায় প্রশাসন। এই লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসগুলোর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে সরকার। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর সার্বিক সহযোগিতায় ভবিষ্যতে এই কর্মসূচি আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রশিক্ষণার্থী ও যুবসমাজের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন সরকারের এই প্রতিনিধি। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বিদেশে কর্মপ্রত্যাশীদের যেকোনো প্রয়োজনে সবসময় পাশে রয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কেবল একটি বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়, বরং দেশের সামগ্রিক জনশক্তি রপ্তানি খাতের উন্নয়নের একটি সুদূরপ্রসারী মডেল। সঠিক দিকনির্দেশনা ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।