সোলার এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
- Update Time : ১০:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
- / ২ Time View
জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সম্প্রতি আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সৌরশক্তি খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে যা সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি আয়োজনের প্রথম দিন থেকেই দর্শনার্থী ও অতিথিদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে।
এবারের তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনীর মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ইঞ্চি ছাদ কাজে লাগাই সৌরবিদ্যুতে আয় বাড়াই। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড যৌথভাবে প্রথমবারের মতো এই আন্তর্জাতিক মানের প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। দেশের প্রতিটি ভবনের ছাদকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের আওতায় এনে একদিকে যেমন নিজস্ব বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো সম্ভব, অন্যদিকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করে আয় বৃদ্ধির বিষয়টি এই এক্সপোতে গুরুত্ব পাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও সার্বিক তথ্য গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি। এছাড়া উদ্বোধনী মঞ্চের সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মিরানা মাহরুখ। অতিথিদের সরব উপস্থিতিতে এই আয়োজন সৌরশক্তি খাতে সরকারের নীতিগত দৃঢ়তার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উদ্বোধনী পর্বে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সচিবসহ দেশের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন। সোলার প্যানেল প্রস্তুতকারক দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তিবিদ এবং বিনিয়োগকারীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও পণ্য নিয়ে এই মেলায় স্টল দিয়েছেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও উদ্যোক্তারা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সুফল সম্পর্কে আরও গভীরভাবে অবহিত হতে পারবেন এবং দেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাত আরও বেশি গতিশীল হবে।

























