মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা, এমবাপ্পের জন্য চীনের কাছে ক্ষমা চাইল রিয়াল
- Update Time : ০৩:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪ Time View
খেলা ডেস্ক: ফুটবল মাঠে নিজের অসাধারণ নৈপুণ্যের পাশাপাশি সম্প্রতি এক বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ফরাসি তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পে। স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সে তুংকে নিয়ে একটি রসিকতা করেছিলেন, যা মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই মন্তব্যের জেরে চীনা সমর্থকদের পাশাপাশি দেশটির বিভিন্ন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত আসরে নামে তার ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষ।
ফুটবল বিশ্বে খেলোয়াড়দের মাঠের বাইরের আচরণ এবং রাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে মন্তব্য প্রায়ই বড় ধরনের সংকটের জন্ম দেয়। এমবাপ্পের এই রসিকতাও তেমনই এক অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে, যা ক্লাব ফুটবলের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং জনপ্রিয়তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারত। বিশেষ করে এশিয়ার বাজারে রিয়াল মাদ্রিদের বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী রয়েছে, বিশেষ করে চীনে ক্লাবের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। তাই চীনা ভক্তদের আবেগ ও সেন্টিমেন্টে আঘাত লাগায় ক্লাবটি কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি।
পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাওয়ায় রিয়াল মাদ্রিদ কতৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে। ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এমবাপ্পের মন্তব্যটি সম্পূর্ণ ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছিল কিংবা তিনি অসাবধানতাবশত ওই রসিকতা করেছিলেন। ক্লাব কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে, এই ক্ষমা প্রার্থনার পর চীনা সমর্থকদের মনে জমে থাকা ক্ষোভ কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে। তবে এই ঘটনায় এমবাপ্পে ব্যক্তিগতভাবে কোনো শাস্তি বা বড় ধরনের বিপদে পড়েন কি না, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।
বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াবিদদের প্রতিটি মন্তব্য ও কর্মকাণ্ড সবসময় লক্ষ লক্ষ মানুষের নজরে থাকে, বিশেষ করে বর্তমান ডিজিটাল যুগে। এই ঘটনাটি খেলোয়াড়দের জন্য একটি বড় শিক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে সামান্য একটি অসাবধানী মন্তব্য পুরো ক্যারিয়ার বা ক্লাবের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে। ভবিষ্যতে এমবাপ্পে এ ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে আরও সতর্ক থাকবেন বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, রিয়াল মাদ্রিদের এই দ্রুত কূটনৈতিক পদক্ষেপ তাদের চীনা ভক্তদের প্রতি দায়বদ্ধতারই প্রমাণ বহন করে।






















