Dhaka ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেনাপোলে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী মালিক সমিতির

মনির হোসেন
  • Update Time : ০৮:০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫৭ Time View

বেনাপোল প্রতিনিধি :: বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী মালিক সমিতি এবং সংগঠনটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে সমিতিটি। একই সাথে বিতর্কিত রাজনৈতিক নেতাকে কঠোর হুশিয়ারী প্রদান করা হয়েছে।

​রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে বেনাপোল বন্দর সংলগ্ন ২নং গেটের সম্মুখে অবস্থিত সংগঠনের নিজস্ব ভবনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল থেকে সরকার প্রতি বছর প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে থাকে। এই কার্যক্রম পরিচালনায় বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী মালিক সমিতিসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।

তবে সম্প্রতি বিতর্কিত নেতাকে বন্দর এলাকাকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে নিজ ও ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ এবং সমিতির বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে যাচ্ছেন। এমনকি বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের একটি সভায় প্রকাশ্যে সমিতির সম্মানিত সভাপতিকে ‘চাঁদাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

​অর্থ আদায়ের ব্যাপারে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করে সমিতি জানায়:
বন্দর এলাকার ট্রাক ও সরঞ্জামের নিরাপত্তার স্বার্থে ২০০৪ সাল থেকে নিয়োজিত নিরাপত্তা কর্মীদের বেতন বাবদ ৫০ টাকার রশিদের মাধ্যমে অর্থ আদায় করা গত ০৪/১০/২০২৬ তারিখ থেকে সমিতির গঠনতন্ত্রের ১০ নং ধারা অনুযায়ী সম্মানিত সদস্যদের মরণোত্তর ভাতা, চিকিৎসা ও অন্যান্য সহায়তার জন্য শুধুমাত্র সদস্যদের কাছ থেকে প্রতি ট্রাকে ৫০ টাকা কল্যাণ ফান্ড নেওয়া হচ্ছে।

বেনাপোল পৌরসভা কর্তৃক ইজারার মাধ্যমে ট্রাকপ্রতি ১০০ টাকা এবং রাত্রি যাপনে ৫০ টাকা গ্রহণ করা হয়। এই ইজারার সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অঙ্গ সংগঠন, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন এবং ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী মালিক সমিতি যৌথভাবে সংশ্লিষ্ট রয়েছে।
​সংগঠনটি স্পষ্ট করে জানায়, উল্লিখিত নির্ধারিত ফি ছাড়া অন্য কোনো খাত থেকে চাঁদা বা টাকা গ্রহণ করা হয় না।

​সংবাদ সম্মেলনে হুশিয়ারী দিয়ে বলা হয়,যদি অবিলম্বে এই ধরনের অপপ্রচার ও অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড থেকে বিরত না থাকেন, তবে সংগঠনের বিধি অনুযায়ী বেনাপোল স্থল বন্দরের সকল প্রকার কার্যক্রম থেকে কর্মবিরতি পালন করবেন সমিতির সদস্যরা।

এ কারণে ভবিষ্যতে কোনো ব্যবসায়িক, সামাজিক বা রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হলে তার সমস্ত দায়ভার আবু তাহের ভারতকেই বহন করতে হবে।

শার্শা এবং বেনাপোলের অধিকাংশ প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উক্ত “সংবাদ সন্মেলন”-এ অংশ নেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বেনাপোলে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী মালিক সমিতির

Update Time : ০৮:০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

বেনাপোল প্রতিনিধি :: বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী মালিক সমিতি এবং সংগঠনটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে সমিতিটি। একই সাথে বিতর্কিত রাজনৈতিক নেতাকে কঠোর হুশিয়ারী প্রদান করা হয়েছে।

​রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে বেনাপোল বন্দর সংলগ্ন ২নং গেটের সম্মুখে অবস্থিত সংগঠনের নিজস্ব ভবনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল থেকে সরকার প্রতি বছর প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে থাকে। এই কার্যক্রম পরিচালনায় বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী মালিক সমিতিসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।

তবে সম্প্রতি বিতর্কিত নেতাকে বন্দর এলাকাকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে নিজ ও ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ এবং সমিতির বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে যাচ্ছেন। এমনকি বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের একটি সভায় প্রকাশ্যে সমিতির সম্মানিত সভাপতিকে ‘চাঁদাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

​অর্থ আদায়ের ব্যাপারে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করে সমিতি জানায়:
বন্দর এলাকার ট্রাক ও সরঞ্জামের নিরাপত্তার স্বার্থে ২০০৪ সাল থেকে নিয়োজিত নিরাপত্তা কর্মীদের বেতন বাবদ ৫০ টাকার রশিদের মাধ্যমে অর্থ আদায় করা গত ০৪/১০/২০২৬ তারিখ থেকে সমিতির গঠনতন্ত্রের ১০ নং ধারা অনুযায়ী সম্মানিত সদস্যদের মরণোত্তর ভাতা, চিকিৎসা ও অন্যান্য সহায়তার জন্য শুধুমাত্র সদস্যদের কাছ থেকে প্রতি ট্রাকে ৫০ টাকা কল্যাণ ফান্ড নেওয়া হচ্ছে।

বেনাপোল পৌরসভা কর্তৃক ইজারার মাধ্যমে ট্রাকপ্রতি ১০০ টাকা এবং রাত্রি যাপনে ৫০ টাকা গ্রহণ করা হয়। এই ইজারার সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অঙ্গ সংগঠন, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন এবং ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী মালিক সমিতি যৌথভাবে সংশ্লিষ্ট রয়েছে।
​সংগঠনটি স্পষ্ট করে জানায়, উল্লিখিত নির্ধারিত ফি ছাড়া অন্য কোনো খাত থেকে চাঁদা বা টাকা গ্রহণ করা হয় না।

​সংবাদ সম্মেলনে হুশিয়ারী দিয়ে বলা হয়,যদি অবিলম্বে এই ধরনের অপপ্রচার ও অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড থেকে বিরত না থাকেন, তবে সংগঠনের বিধি অনুযায়ী বেনাপোল স্থল বন্দরের সকল প্রকার কার্যক্রম থেকে কর্মবিরতি পালন করবেন সমিতির সদস্যরা।

এ কারণে ভবিষ্যতে কোনো ব্যবসায়িক, সামাজিক বা রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হলে তার সমস্ত দায়ভার আবু তাহের ভারতকেই বহন করতে হবে।

শার্শা এবং বেনাপোলের অধিকাংশ প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উক্ত “সংবাদ সন্মেলন”-এ অংশ নেন।