Dhaka ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিমলায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

মসিউর রহমান
  • Update Time : ০৮:১৫:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৪ Time View

নীলফামারী প্রতিনিধি::নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুজ্জামান। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ কর্মসূচির আওতায় ডিমলা উপজেলায় মোট ৩৩ হাজার ১৬৫ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচির প্রথম দিনে প্রায় ২ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, এই ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ এমআর টিকা প্রদান করা হবে। কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন, প্রশিক্ষিত জনবল এবং কোল্ড-চেইন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুজ্জামান জানান, ১১ দিনব্যাপী এ কর্মসূচির মধ্যে ৮ দিন কমিউনিটি পর্যায়ে এবং ৩ দিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ২৪০টি সাব-ব্লক কেন্দ্রের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে টিকাদান সম্পন্ন করা হবে।

তিনি আরও জানান, প্রতিটি টিকাকেন্দ্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। টিকাদান কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিরাপদভাবে পরিচালিত হবে। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা থাকবে।

স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানায়, হাম ও রুবেলা অত্যন্ত সংক্রামক এবং শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ রোগ। এসব রোগ প্রতিরোধে টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তাই অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী শিশুদের টিকাকেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার নিয়মিত এ ধরনের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে, যা শিশু মৃত্যুহার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ডিমলায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

Update Time : ০৮:১৫:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারী প্রতিনিধি::নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুজ্জামান। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ কর্মসূচির আওতায় ডিমলা উপজেলায় মোট ৩৩ হাজার ১৬৫ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচির প্রথম দিনে প্রায় ২ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, এই ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ এমআর টিকা প্রদান করা হবে। কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন, প্রশিক্ষিত জনবল এবং কোল্ড-চেইন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুজ্জামান জানান, ১১ দিনব্যাপী এ কর্মসূচির মধ্যে ৮ দিন কমিউনিটি পর্যায়ে এবং ৩ দিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ২৪০টি সাব-ব্লক কেন্দ্রের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে টিকাদান সম্পন্ন করা হবে।

তিনি আরও জানান, প্রতিটি টিকাকেন্দ্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। টিকাদান কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিরাপদভাবে পরিচালিত হবে। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা থাকবে।

স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানায়, হাম ও রুবেলা অত্যন্ত সংক্রামক এবং শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ রোগ। এসব রোগ প্রতিরোধে টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তাই অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী শিশুদের টিকাকেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার নিয়মিত এ ধরনের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে, যা শিশু মৃত্যুহার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।