Dhaka ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতজানু পররাষ্ট্রনীতি আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে: জহরত আদিব চৌধুরী

Reporter Name
  • Update Time : ০২:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৫ Time View

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জহরত আদিব চৌধুরী। তিনি মনে করেন, বিগত দিনগুলোতে দেশের বৈদেশিক সম্পর্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে একধরনের দুর্বলতা বা নতজানু মনোভাব কাজ করেছে। এই পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় এগিয়ে যেতে পারেনি বলে তিনি দাবি করেন।

জহরত আদিব চৌধুরী অতীতের বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সদ্য জন্ম নেওয়া এই রাষ্ট্রটিকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এগিয়ে এসেছিল। সেই সময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মিত্রদের সঙ্গে একটি সুদৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার মোক্ষম সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল।

তবে সঠিক দূরদর্শিতা ও কূটনৈতিক দক্ষতার অভাবে সেই সুবর্ণ সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে, বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়া রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যথাযথ কূটনৈতিক সমতা বজায় না রেখে একপেশে নীতি অনুসরণ করার কারণে জাতীয় স্বার্থ বারবার ক্ষুণ্ন হয়েছে।

ভবিষ্যতে দেশের স্বার্থ রক্ষা করে একটি শক্তিশালী এবং ভারসাম্যপূর্ণ বৈদেশিক নীতি গড়ে তোলার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আত্মমর্যাদা বজায় রেখে সমতার ভিত্তিতে কাজ না করলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নতজানু পররাষ্ট্রনীতি আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে: জহরত আদিব চৌধুরী

Update Time : ০২:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জহরত আদিব চৌধুরী। তিনি মনে করেন, বিগত দিনগুলোতে দেশের বৈদেশিক সম্পর্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে একধরনের দুর্বলতা বা নতজানু মনোভাব কাজ করেছে। এই পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় এগিয়ে যেতে পারেনি বলে তিনি দাবি করেন।

জহরত আদিব চৌধুরী অতীতের বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সদ্য জন্ম নেওয়া এই রাষ্ট্রটিকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এগিয়ে এসেছিল। সেই সময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মিত্রদের সঙ্গে একটি সুদৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার মোক্ষম সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল।

তবে সঠিক দূরদর্শিতা ও কূটনৈতিক দক্ষতার অভাবে সেই সুবর্ণ সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে, বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়া রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যথাযথ কূটনৈতিক সমতা বজায় না রেখে একপেশে নীতি অনুসরণ করার কারণে জাতীয় স্বার্থ বারবার ক্ষুণ্ন হয়েছে।

ভবিষ্যতে দেশের স্বার্থ রক্ষা করে একটি শক্তিশালী এবং ভারসাম্যপূর্ণ বৈদেশিক নীতি গড়ে তোলার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আত্মমর্যাদা বজায় রেখে সমতার ভিত্তিতে কাজ না করলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।