Dhaka ১১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২ Time View

অপরাধ ডেস্ক: বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় এক হাজার ১২১ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই আর্থিক অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, এই বিশাল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের জন্য সম্পূর্ণ নতুন বেশ কয়েকটি বেনামি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়েছিল। কোনো ধরনের পূর্ব অভিজ্ঞতা বা ব্যবসায়িক ট্র্যাক রেকর্ড না থাকা সত্ত্বেও কেবল বিশেষ সুবিধার জোরে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে বড় অঙ্কের ঋণ এবং এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের সুবিধা মঞ্জুর করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো নিয়ম-কানুন ও ব্যাংকিং নীতিমালার তোয়াক্কা করা হয়নি। অতি দ্রুততার সঙ্গে নামসর্বস্ব কোম্পানিগুলোকে অর্থ পাইয়ে দিয়ে পরে তা ভিন্ন খাতে সরিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই কারসাজির পেছনে উচ্চপর্যায়ের প্রভাব খাটানো হয়েছিল বলে প্রতীয়মান হয়।

এই দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে মোট তিনটি পৃথক মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুতই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে এবং লুটপাট করা অর্থ পুনরুদ্ধারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

Update Time : ১০:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় এক হাজার ১২১ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই আর্থিক অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, এই বিশাল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের জন্য সম্পূর্ণ নতুন বেশ কয়েকটি বেনামি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়েছিল। কোনো ধরনের পূর্ব অভিজ্ঞতা বা ব্যবসায়িক ট্র্যাক রেকর্ড না থাকা সত্ত্বেও কেবল বিশেষ সুবিধার জোরে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে বড় অঙ্কের ঋণ এবং এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের সুবিধা মঞ্জুর করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো নিয়ম-কানুন ও ব্যাংকিং নীতিমালার তোয়াক্কা করা হয়নি। অতি দ্রুততার সঙ্গে নামসর্বস্ব কোম্পানিগুলোকে অর্থ পাইয়ে দিয়ে পরে তা ভিন্ন খাতে সরিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই কারসাজির পেছনে উচ্চপর্যায়ের প্রভাব খাটানো হয়েছিল বলে প্রতীয়মান হয়।

এই দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে মোট তিনটি পৃথক মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুতই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে এবং লুটপাট করা অর্থ পুনরুদ্ধারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।