Dhaka ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে সীমাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৭ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় আকস্মিক সীমাবদ্ধতা দেখা দেওয়ায় বড় ধরনের যাত্রীবান্ধব ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই জটিলতার কারণে এখন পর্যন্ত প্রায় তেইশ হাজার বিমানযাত্রী নানা ধরনের দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবগামী এবং সেদেশ থেকে প্রত্যাবর্তনী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীরা এই পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন। হঠাৎ করে ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন প্রবাসীরা।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, এই সংকটের জেরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মোট একশর বেশি ফ্লাইট সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি চলাচলকারী ফ্লাইট রয়েছে বিরাশিটি এবং বিভিন্ন দেশের ওপর দিয়ে ঘুরে যাওয়া ট্রানজিট ফ্লাইট রয়েছে সাতাত্তরটি। সব মিলিয়ে প্রায় দেড়শতাধিক ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে না পারায় শিপর শিডিউল বা সময়সূচিতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে।

পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, সরাসরি ফ্লাইটগুলোর একটি বড় অংশে বিঘ্ন ঘটেছে বাংলাদেশ ও সৌদির প্রধান কয়েকটি বিমান সংস্থার। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাঁইত্রিশটি, সৌদি এয়ারলাইনসের বিশটি, রিয়াদ এয়ারের পনেরোটি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দশটি ফ্লাইট এই জটিলতার আওতাভুক্ত হয়েছে। অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোতেও সমানভাবে প্রভাব পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিগোর ত্রিশটি, এমিরেটসের চোদ্দোটি, কাতার এয়ারওয়েজের নয়টি, ফ্লাই দুবাইয়ের আটটি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার আটটি ফ্লাইট। এছাড়া সালাম এয়ারের সাতটি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইটও এই জটিলতার বাইরে নয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে সৌদি কর্তৃপক্ষের পরিচালনাগত সীমাবদ্ধতার জন্যই এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো যাত্রীদের এই ভোগান্তি লাঘবে এবং বিকল্প ব্যবস্থা করতে কাজ করে যাচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে সীমাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

Update Time : ১১:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় আকস্মিক সীমাবদ্ধতা দেখা দেওয়ায় বড় ধরনের যাত্রীবান্ধব ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই জটিলতার কারণে এখন পর্যন্ত প্রায় তেইশ হাজার বিমানযাত্রী নানা ধরনের দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবগামী এবং সেদেশ থেকে প্রত্যাবর্তনী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীরা এই পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন। হঠাৎ করে ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন প্রবাসীরা।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, এই সংকটের জেরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মোট একশর বেশি ফ্লাইট সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি চলাচলকারী ফ্লাইট রয়েছে বিরাশিটি এবং বিভিন্ন দেশের ওপর দিয়ে ঘুরে যাওয়া ট্রানজিট ফ্লাইট রয়েছে সাতাত্তরটি। সব মিলিয়ে প্রায় দেড়শতাধিক ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে না পারায় শিপর শিডিউল বা সময়সূচিতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে।

পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, সরাসরি ফ্লাইটগুলোর একটি বড় অংশে বিঘ্ন ঘটেছে বাংলাদেশ ও সৌদির প্রধান কয়েকটি বিমান সংস্থার। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাঁইত্রিশটি, সৌদি এয়ারলাইনসের বিশটি, রিয়াদ এয়ারের পনেরোটি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দশটি ফ্লাইট এই জটিলতার আওতাভুক্ত হয়েছে। অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোতেও সমানভাবে প্রভাব পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিগোর ত্রিশটি, এমিরেটসের চোদ্দোটি, কাতার এয়ারওয়েজের নয়টি, ফ্লাই দুবাইয়ের আটটি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার আটটি ফ্লাইট। এছাড়া সালাম এয়ারের সাতটি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইটও এই জটিলতার বাইরে নয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে সৌদি কর্তৃপক্ষের পরিচালনাগত সীমাবদ্ধতার জন্যই এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো যাত্রীদের এই ভোগান্তি লাঘবে এবং বিকল্প ব্যবস্থা করতে কাজ করে যাচ্ছে।