Dhaka ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তে চিঠি দেবে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়

Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৩ Time View

আইন-আদালত ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির একটি নির্দিষ্ট অংশ বাজেয়াপ্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খুব শীঘ্রই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়।

অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অপরাধের তীব্রতা এবং আদালতের দেওয়া চূড়ান্ত রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতেই এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আইনি পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।

চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, মন্ত্রণালয়ে চিঠি পৌঁছানোর পর সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পত্তি জব্দের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই কার্যক্রমে আইনি সব নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে যাতে বিচার প্রক্রিয়া আরও সুদৃঢ় হয়।

এর আগে এই মামলার রায় ঘোষণার পর থেকেই নানা মহলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জিত হবে এবং আদালতের রায় বাস্তবায়নে বড় ধরনের পদক্ষেপ সম্পন্ন হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তে চিঠি দেবে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়

Update Time : ০২:৩০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির একটি নির্দিষ্ট অংশ বাজেয়াপ্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খুব শীঘ্রই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়।

অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অপরাধের তীব্রতা এবং আদালতের দেওয়া চূড়ান্ত রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতেই এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আইনি পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।

চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, মন্ত্রণালয়ে চিঠি পৌঁছানোর পর সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পত্তি জব্দের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই কার্যক্রমে আইনি সব নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে যাতে বিচার প্রক্রিয়া আরও সুদৃঢ় হয়।

এর আগে এই মামলার রায় ঘোষণার পর থেকেই নানা মহলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জিত হবে এবং আদালতের রায় বাস্তবায়নে বড় ধরনের পদক্ষেপ সম্পন্ন হবে।