Dhaka ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভেজাল গুড়ের কারখানায় অভিযান, ৩ হাজার কেজি গুড় জব্দ

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৪ Time View

জাতীয় ডেস্ক: নাটোরে ক্ষতিকর রাসায়নিক ও ভেজাল উপাদান মিশিয়ে গুড় তৈরির অভিযোগে একটি অবৈধ কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। উপজেলার রামকৃষ্ণপুর এলাকায় পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে প্রায় তিন হাজার কেজি ভেজাল গুড় জব্দ করা হয়, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই আকস্মিক অভিযানটি চালানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবির হোসেনের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় কারখানাটির ভেতরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নানা ধরনের রাসায়নিক ও উপদ্রব মিশিয়ে গুড় প্রস্তুত করার সত্যতা পাওয়া যায়। আইন লঙ্ঘন করে ক্ষতিকর খাদ্যপণ্য উৎপাদনের দায়ে ঘটনাস্থলেই কারখানার মালিক হুসেন আলীকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এই বিচারকার্য সম্পন্ন করা হয় এবং অপরাধ স্বীকার করায় নির্ধারিত জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযুক্ত কারখানা কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ চালিয়ে আসছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে জব্দকৃত প্রায় তিন হাজার কেজি ভেজাল ও ক্ষতিকর গুড় জনসমক্ষে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এবং এ ধরনের ভেজাল খাদ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে নাটোর জেলাজুড়ে প্রশাসনের এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ভেজাল গুড়ের কারখানায় অভিযান, ৩ হাজার কেজি গুড় জব্দ

Update Time : ০৫:১৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: নাটোরে ক্ষতিকর রাসায়নিক ও ভেজাল উপাদান মিশিয়ে গুড় তৈরির অভিযোগে একটি অবৈধ কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। উপজেলার রামকৃষ্ণপুর এলাকায় পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে প্রায় তিন হাজার কেজি ভেজাল গুড় জব্দ করা হয়, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই আকস্মিক অভিযানটি চালানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবির হোসেনের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় কারখানাটির ভেতরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নানা ধরনের রাসায়নিক ও উপদ্রব মিশিয়ে গুড় প্রস্তুত করার সত্যতা পাওয়া যায়। আইন লঙ্ঘন করে ক্ষতিকর খাদ্যপণ্য উৎপাদনের দায়ে ঘটনাস্থলেই কারখানার মালিক হুসেন আলীকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এই বিচারকার্য সম্পন্ন করা হয় এবং অপরাধ স্বীকার করায় নির্ধারিত জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযুক্ত কারখানা কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ চালিয়ে আসছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে জব্দকৃত প্রায় তিন হাজার কেজি ভেজাল ও ক্ষতিকর গুড় জনসমক্ষে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এবং এ ধরনের ভেজাল খাদ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে নাটোর জেলাজুড়ে প্রশাসনের এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।