Dhaka ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চড়–কাণ্ডের আট মাস পর অভিনেত্রী তিশা–অথৈকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

Reporter Name
  • Update Time : ০২:০০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১১ Time View

বিনোদন ডেস্ক: শুটিং সেটে মারধরের ঘটনা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের দীর্ঘ তদন্ত ও সালিস বৈঠক শেষে অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ। এর আগে বিভিন্ন সময় এই দুই অভিনেত্রীর মধ্যকার বিরোধ মীমাংসার জন্য সংগঠনটির পক্ষ থেকে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। পরবর্তীতে সংগঠনটির কার্যনির্বাহী পরিষদের নিয়মিত সভায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কয়েক মাস আগে মানিকগঞ্জে একটি নাটকের শুটিং চলাকালীন সময়ে এই দুই অভিনেত্রীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির সূত্রপাত ঘটেছিল। সে সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে তাঁকে মারধর ও শারীরিকভাবে অপদস্থ করার গুরুতর অভিযোগ তোলেন সামিয়া অথৈ। তাঁর দাবি ছিল, নাটকের দৃশ্যের প্রয়োজনে আলতো করে চড় মারার কথা থাকলেও তানজিন তিশা তাঁকে সজোরে চড় মারেন, যার ফলে তাঁর চোখ ও গাল ফুলে গিয়েছিল। অন্যদিকে এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তানজিন তিশা দাবি করেছিলেন যে শুটিং সেটে যা কিছু ঘটেছে তা সম্পূর্ণ চরিত্র ও চিত্রনাট্যের তাগিদেই করা হয়েছিল।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পরপরই অভিনয়শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে দুই শিল্পীকে নিয়ে একটি স্বাধীন সালিস কমিটি গঠন করা হয়েছিল যাতে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি দূর করে একটি শান্তিপূর্ণ সমঝোতায় পৌঁছানো যায়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু জানান, সালিস কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই অভিনেত্রীকে ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দেওয়া এবং ভিডিও বার্তা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈ কেউই এই নির্দেশনা মেনে চলেননি এবং পরবর্তীতে সংগঠন থেকে পাঠানো দুটি কারণ দর্শানোর নোটিশের কোনো জবাবও তাঁরা দেননি।

সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, বারবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও দুই অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে সালিস কমিটি তাঁদের সদস্যপদ বাতিলের সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই ইসি কমিটির সভায় তাঁদের সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে এই স্থগিতাদেশের পরও দুই অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

চড়–কাণ্ডের আট মাস পর অভিনেত্রী তিশা–অথৈকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

Update Time : ০২:০০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: শুটিং সেটে মারধরের ঘটনা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের দীর্ঘ তদন্ত ও সালিস বৈঠক শেষে অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ। এর আগে বিভিন্ন সময় এই দুই অভিনেত্রীর মধ্যকার বিরোধ মীমাংসার জন্য সংগঠনটির পক্ষ থেকে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। পরবর্তীতে সংগঠনটির কার্যনির্বাহী পরিষদের নিয়মিত সভায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কয়েক মাস আগে মানিকগঞ্জে একটি নাটকের শুটিং চলাকালীন সময়ে এই দুই অভিনেত্রীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির সূত্রপাত ঘটেছিল। সে সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে তাঁকে মারধর ও শারীরিকভাবে অপদস্থ করার গুরুতর অভিযোগ তোলেন সামিয়া অথৈ। তাঁর দাবি ছিল, নাটকের দৃশ্যের প্রয়োজনে আলতো করে চড় মারার কথা থাকলেও তানজিন তিশা তাঁকে সজোরে চড় মারেন, যার ফলে তাঁর চোখ ও গাল ফুলে গিয়েছিল। অন্যদিকে এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তানজিন তিশা দাবি করেছিলেন যে শুটিং সেটে যা কিছু ঘটেছে তা সম্পূর্ণ চরিত্র ও চিত্রনাট্যের তাগিদেই করা হয়েছিল।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পরপরই অভিনয়শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে দুই শিল্পীকে নিয়ে একটি স্বাধীন সালিস কমিটি গঠন করা হয়েছিল যাতে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি দূর করে একটি শান্তিপূর্ণ সমঝোতায় পৌঁছানো যায়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু জানান, সালিস কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই অভিনেত্রীকে ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দেওয়া এবং ভিডিও বার্তা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈ কেউই এই নির্দেশনা মেনে চলেননি এবং পরবর্তীতে সংগঠন থেকে পাঠানো দুটি কারণ দর্শানোর নোটিশের কোনো জবাবও তাঁরা দেননি।

সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, বারবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও দুই অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে সালিস কমিটি তাঁদের সদস্যপদ বাতিলের সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই ইসি কমিটির সভায় তাঁদের সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে এই স্থগিতাদেশের পরও দুই অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।