Dhaka ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুধু দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন থাকলেই সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করা যায় না

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৪ Time View

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সংবিধানের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশিষ্ট বক্তারা গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে সংসদের সাধারণ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেই সংবিধানের মৌলিক কাঠামো কোনোভাবেই বদলে ফেলা যায় না। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং শাসনতন্ত্রের মূল ভিত্তি রক্ষায় এই অবস্থান অত্যন্ত জরুরি বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

সভায় আলোচকরা বলেন, সংবিধানের মৌলিক নীতি এবং কাঠামোর ভেতরে এমন কিছু অন্তর্নিহিত বিষয় থাকে যা জনগণের অধিকার এবং রাষ্ট্রের মূল চরিত্র নির্ধারণ করে। ফলে স্রেফ রাজনৈতিক সংখ্যাগত শক্তির জোরে এর মৌলিক জায়গায় হাত দেওয়া সংবিধানের চেতনার পরিপন্থী। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে এই মৌলিক বিষয়গুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক বলে তারা মনে করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকারগুলোর বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। শুধু কাগজে-কলমে অধিকার থাকলেই চলবে না, বরং দৈনন্দিন জীবনে নাগরিকরা যাতে তার সুফল ভোগ করতে পারেন সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান আইনগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধনের ওপর তারা জোরালো তাগিদ দেন।

সামগ্রdকভাবে এই আলোচনা সভায় দেশের বিচারব্যবস্থা, শাসনতন্ত্র এবং জনগণের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি কিছু প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সংবিধানের সঠিক প্রয়োগ এবং আইনি সংস্কারের মাধ্যমেই কেবল একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শুধু দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন থাকলেই সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করা যায় না

Update Time : ০১:৪৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সংবিধানের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশিষ্ট বক্তারা গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে সংসদের সাধারণ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেই সংবিধানের মৌলিক কাঠামো কোনোভাবেই বদলে ফেলা যায় না। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং শাসনতন্ত্রের মূল ভিত্তি রক্ষায় এই অবস্থান অত্যন্ত জরুরি বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

সভায় আলোচকরা বলেন, সংবিধানের মৌলিক নীতি এবং কাঠামোর ভেতরে এমন কিছু অন্তর্নিহিত বিষয় থাকে যা জনগণের অধিকার এবং রাষ্ট্রের মূল চরিত্র নির্ধারণ করে। ফলে স্রেফ রাজনৈতিক সংখ্যাগত শক্তির জোরে এর মৌলিক জায়গায় হাত দেওয়া সংবিধানের চেতনার পরিপন্থী। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে এই মৌলিক বিষয়গুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক বলে তারা মনে করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকারগুলোর বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। শুধু কাগজে-কলমে অধিকার থাকলেই চলবে না, বরং দৈনন্দিন জীবনে নাগরিকরা যাতে তার সুফল ভোগ করতে পারেন সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান আইনগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধনের ওপর তারা জোরালো তাগিদ দেন।

সামগ্রdকভাবে এই আলোচনা সভায় দেশের বিচারব্যবস্থা, শাসনতন্ত্র এবং জনগণের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি কিছু প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সংবিধানের সঠিক প্রয়োগ এবং আইনি সংস্কারের মাধ্যমেই কেবল একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।