Dhaka ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজনৈতিক দলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্বে উদ্যোগ কম

Reporter Name
  • Update Time : ০১:০১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৩ Time View

জাতীয় ডেস্ক: দেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটাধিকার প্রয়োগ, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃশ্যমান উদ্যোগের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। দেশের অধিকাংশ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলেই প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও প্রতিনিধিত্ব সুরক্ষার জন্য আলাদা কোনো সেল বা উইং বা শাখা নেই। এছাড়া জাতীয় সংসদে এই জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা কিংবা সংরক্ষিত আসন চালুর বিষয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট উদ্যোগের অভাব পরিলক্ষিত হয়।

রাজধানীর বারিধারার হোটেল অমনি রেসিডেন্সিতে আয়োজিত ডিজেবিলিটি ইনক্লুসিভ ইলেকশন রিপোর্টিং শীর্ষক এক দিনব্যাপী কর্মশালায় বক্তারা এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্য চেঞ্জ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাস বা বি-স্ক্যান এই কর্মশালাটির আয়োজন করে এবং এতে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের ২০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। ইউরোপিয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি বা ইপিডি-র সহযোগিতায় প্রোমোটিং ডিজেবিলিটি ইনক্লুসিভ ইলেকশন অবজারভেশন প্রকল্পের আওতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।

কর্মশালায় আলোচকরা উল্লেখ করেন যে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের করুণার পাত্র বা দয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন না করে সমান অধিকারধারী নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করার মানসিকতা তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মূলধারার গণমাধ্যমগুলোকে আরও বেশি সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দেওয়া হয়। জাতিসংঘের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সনদের ঊনত্রিশ নম্বর ধারার আলোকে আয়োজিত এই কর্মশালায় মূলধারার সাংবাদিকতায় অধিকারভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ধারা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বি-স্ক্যানের পক্ষে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সালমা মাহবুব, প্রোগ্রাম পরিচালক ইফতেখার মাহমুদ, প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর মাহফুজুর রহমান রাকীবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি সিমোনা কামোলিনি সমাপনী বক্তব্য দেন এবং আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই নির্বাচনি গণতন্ত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রাজনৈতিক দলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্বে উদ্যোগ কম

Update Time : ০১:০১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটাধিকার প্রয়োগ, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃশ্যমান উদ্যোগের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। দেশের অধিকাংশ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলেই প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও প্রতিনিধিত্ব সুরক্ষার জন্য আলাদা কোনো সেল বা উইং বা শাখা নেই। এছাড়া জাতীয় সংসদে এই জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা কিংবা সংরক্ষিত আসন চালুর বিষয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট উদ্যোগের অভাব পরিলক্ষিত হয়।

রাজধানীর বারিধারার হোটেল অমনি রেসিডেন্সিতে আয়োজিত ডিজেবিলিটি ইনক্লুসিভ ইলেকশন রিপোর্টিং শীর্ষক এক দিনব্যাপী কর্মশালায় বক্তারা এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্য চেঞ্জ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাস বা বি-স্ক্যান এই কর্মশালাটির আয়োজন করে এবং এতে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের ২০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। ইউরোপিয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি বা ইপিডি-র সহযোগিতায় প্রোমোটিং ডিজেবিলিটি ইনক্লুসিভ ইলেকশন অবজারভেশন প্রকল্পের আওতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।

কর্মশালায় আলোচকরা উল্লেখ করেন যে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের করুণার পাত্র বা দয়ার বস্তু হিসেবে উপস্থাপন না করে সমান অধিকারধারী নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করার মানসিকতা তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মূলধারার গণমাধ্যমগুলোকে আরও বেশি সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দেওয়া হয়। জাতিসংঘের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সনদের ঊনত্রিশ নম্বর ধারার আলোকে আয়োজিত এই কর্মশালায় মূলধারার সাংবাদিকতায় অধিকারভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ধারা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বি-স্ক্যানের পক্ষে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সালমা মাহবুব, প্রোগ্রাম পরিচালক ইফতেখার মাহমুদ, প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর মাহফুজুর রহমান রাকীবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি সিমোনা কামোলিনি সমাপনী বক্তব্য দেন এবং আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই নির্বাচনি গণতন্ত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।