Dhaka ১০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাথরুম পরিষ্কার, তবু দুর্গন্ধ? কারণ হতে পারে এই ৭টি জিনিস

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৫ Time View

লাইফস্টাইল ডেস্ক: নিয়মিত পরিষ্কার করার পরও বাথরুমে প্রায়ই একধরনের দুর্গন্ধ থেকে যায়, যার উৎস সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। বাথরুমে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সেখানে খুব দ্রুত জীবাণু ও ছত্রাক জন্ম নিতে পারে। এ ছাড়া জমে থাকা ময়লা, চুল কিংবা ব্যবহৃত কাপড়ের কারণেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অনেক সময় দুর্গন্ধের মূল কারণগুলো এমন জায়গায় লুকিয়ে থাকে, যেখানে সচরাচর আমাদের নজর পড়ে না।

বাথরুমে দুর্গন্ধ তৈরির একটি অন্যতম সাধারণ কারণ হলো বেসিন বা ড্রেনের পাইপে ময়লা জমে যাওয়া। পানিনিষ্কাশনের এই পথগুলোতে চুল ও সাবানের অবশিষ্টাংশ জমে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। এ ছাড়া গোসলের পর ভেজা তোয়ালে বাথরুমে ঝুলিয়ে রাখলে এবং বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকলে সেখানে স্যাঁতসেঁতে বাসি গন্ধের সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, টুথব্রাশ রাখার পাত্র কিংবা ইলেকট্রিক টুথব্রাশের নিচের অংশেও নিয়মিত ময়লা ও পানির অবশিষ্টাংশ জমে পিচ্ছিল আস্তরণ তৈরি করে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে।

কমোডের আশপাশে ব্যবহৃত কাপড়ের ম্যাট বা পা মোছার কাপড়ও দুর্গন্ধের বড় কারণ হতে পারে, কারণ এতে নিয়মিত পানি ও ময়লা পড়ে। একইভাবে গোসলের পর ব্যবহৃত বাথরোব বা গাউন নিয়মিত না ধুলে তাতে ঘাম ও প্রসাধনীর অবশিষ্টাংশ জমে দুর্গন্ধ হতে পারে। এছাড়া গোসলের পর্দার নিচের অংশে আর্দ্রতার কারণে ছত্রাক জমে স্যাঁতসেঁতে গন্ধ তৈরি করে। এসব সমস্যার সমাধানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি যথাযথ শুকানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি।

এই ধরনের দুর্গন্ধ এড়াতে বাথরুমে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং এগজোস্ট ফ্যান ব্যবহার করা আবশ্যক। ভেজা কাপড়, তোয়ালে বা ম্যাট দীর্ঘ সময় বাথরুমে ফেলে না রেখে সময়মতো ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে সব দুর্গন্ধ কেবল ময়লার কারণে হয় না; ড্রেন থেকে পচা ডিমের মতো তীব্র গন্ধ এলে বা পানিনিষ্কাশনে স্থায়ী সমস্যা থাকলে পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থায় ত্রুটি থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে দ্রুত অভিজ্ঞ কোনো প্লাম্বারের সহায়তা নেওয়া উচিত।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বাথরুম পরিষ্কার, তবু দুর্গন্ধ? কারণ হতে পারে এই ৭টি জিনিস

Update Time : ০৮:৩১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: নিয়মিত পরিষ্কার করার পরও বাথরুমে প্রায়ই একধরনের দুর্গন্ধ থেকে যায়, যার উৎস সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। বাথরুমে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সেখানে খুব দ্রুত জীবাণু ও ছত্রাক জন্ম নিতে পারে। এ ছাড়া জমে থাকা ময়লা, চুল কিংবা ব্যবহৃত কাপড়ের কারণেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অনেক সময় দুর্গন্ধের মূল কারণগুলো এমন জায়গায় লুকিয়ে থাকে, যেখানে সচরাচর আমাদের নজর পড়ে না।

বাথরুমে দুর্গন্ধ তৈরির একটি অন্যতম সাধারণ কারণ হলো বেসিন বা ড্রেনের পাইপে ময়লা জমে যাওয়া। পানিনিষ্কাশনের এই পথগুলোতে চুল ও সাবানের অবশিষ্টাংশ জমে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। এ ছাড়া গোসলের পর ভেজা তোয়ালে বাথরুমে ঝুলিয়ে রাখলে এবং বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকলে সেখানে স্যাঁতসেঁতে বাসি গন্ধের সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, টুথব্রাশ রাখার পাত্র কিংবা ইলেকট্রিক টুথব্রাশের নিচের অংশেও নিয়মিত ময়লা ও পানির অবশিষ্টাংশ জমে পিচ্ছিল আস্তরণ তৈরি করে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে।

কমোডের আশপাশে ব্যবহৃত কাপড়ের ম্যাট বা পা মোছার কাপড়ও দুর্গন্ধের বড় কারণ হতে পারে, কারণ এতে নিয়মিত পানি ও ময়লা পড়ে। একইভাবে গোসলের পর ব্যবহৃত বাথরোব বা গাউন নিয়মিত না ধুলে তাতে ঘাম ও প্রসাধনীর অবশিষ্টাংশ জমে দুর্গন্ধ হতে পারে। এছাড়া গোসলের পর্দার নিচের অংশে আর্দ্রতার কারণে ছত্রাক জমে স্যাঁতসেঁতে গন্ধ তৈরি করে। এসব সমস্যার সমাধানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি যথাযথ শুকানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি।

এই ধরনের দুর্গন্ধ এড়াতে বাথরুমে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং এগজোস্ট ফ্যান ব্যবহার করা আবশ্যক। ভেজা কাপড়, তোয়ালে বা ম্যাট দীর্ঘ সময় বাথরুমে ফেলে না রেখে সময়মতো ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে সব দুর্গন্ধ কেবল ময়লার কারণে হয় না; ড্রেন থেকে পচা ডিমের মতো তীব্র গন্ধ এলে বা পানিনিষ্কাশনে স্থায়ী সমস্যা থাকলে পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থায় ত্রুটি থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে দ্রুত অভিজ্ঞ কোনো প্লাম্বারের সহায়তা নেওয়া উচিত।