Dhaka ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাবির ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে কাওসার হাসানের নিয়োগ প্রশ্নে রুল

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৪ Time View

আইন-আদালত ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান পদে শিক্ষক কাওসার হাসানের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এই রিটের শুনানি গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন। আদালত কেন এই নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন বিবাদীদের প্রতি।

হাইকোর্টের বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতের এই বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর দীর্ঘ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আবেদনকারীর আইনজীবীরা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি শোনার পর আদালত এই রুল জারি করার সিদ্ধান্ত নেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রমে এই রুল জারির ফলে একটি নতুন আইনি জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এই আদেশের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর কোনো স্থগিতাদেশ এসেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত আইনি পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতের পরবর্তী শুনানির দিন এই বিষয়ের আইনি বৈধতা নিয়ে আরও বিস্তারিত যুক্তি উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে। এই রুল জারির মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক পদ বণ্টন প্রক্রিয়া নতুন করে আলোচনায় এল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ঢাবির ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে কাওসার হাসানের নিয়োগ প্রশ্নে রুল

Update Time : ০১:৩০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান পদে শিক্ষক কাওসার হাসানের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এই রিটের শুনানি গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন। আদালত কেন এই নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন বিবাদীদের প্রতি।

হাইকোর্টের বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতের এই বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর দীর্ঘ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আবেদনকারীর আইনজীবীরা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি শোনার পর আদালত এই রুল জারি করার সিদ্ধান্ত নেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রমে এই রুল জারির ফলে একটি নতুন আইনি জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এই আদেশের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর কোনো স্থগিতাদেশ এসেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত আইনি পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতের পরবর্তী শুনানির দিন এই বিষয়ের আইনি বৈধতা নিয়ে আরও বিস্তারিত যুক্তি উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে। এই রুল জারির মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক পদ বণ্টন প্রক্রিয়া নতুন করে আলোচনায় এল।