কোন পথে চীনের করিডর?
- Update Time : ১০:০০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
- / ৬ Time View
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরের জলরাশিতে নিজেদের কৌশলগত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে চীন। এই ভূকৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের অংশ হিসেবে ঢাকাকে নিজেদের প্রস্তাবিত বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার জোরালো আগ্রহ প্রকাশ করেছে বেইজিং। মূলত আঞ্চলিক বাণিজ্য পথ সুগম করা এবং সমুদ্রপথে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করার কৌশলগত উদ্দেশ্য থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের এই বিশাল অর্থনৈতিক ও ভূকৌশলগত উচ্চাকাঙ্ক্ষায় বাংলাদেশকে অংশীদার করার বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রস্তাবিত এই সংযোগ নেটওয়ার্ক বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও লজিস্টিকস খাতের সহযোগিতা নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। তবে এই ধরনের বড় প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সুফল ও ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য উভয় বিষয়কেই সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এর আগেও বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বেইজিংয়ের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নতুন যোগাযোগ উদ্যোগটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক এই যোগাযোগ করিডরের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা এবং কৌশলগত দরকষাকষির ওপর। অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি এবং আঞ্চলিক কূটনীতির বহুমুখী স্বার্থ রক্ষা করে বাংলাদেশ এই প্রস্তাবকে কীভাবে মোকাবিলা করে, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।
























