Dhaka ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক কলেজে সবাই জিপিএ-৫, আরেক কলেজে চারজনের তিনজনই ফেল

Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৩ Time View

শিক্ষা ডেস্ক: একই উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। একই প্রশাসনিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও কিছু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে, আবার কোথাও কোথাও অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী কৃতকার্য হতে পারেনি। সাম্প্রতিক প্রকাশিত এই পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর স্থানীয় অভিভাবক এবং শিক্ষামহলজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছোট দারোগারহাট তাহের-মনজুর কলেজে পাসের হার অত্যন্ত শোচনীয় পর্যায়ে নেমে এসেছে, যেখানে প্রায় পঁচাত্তর শতাংশ শিক্ষার্থীই ফেল করেছে। এছাড়া বিজয় স্মরণী কলেজ, লতিফা সিদ্দীকী ডিগ্রি কলেজ এবং সীতাকুণ্ড ডিগ্রি কলেজেও পাসের হার সন্তোষজনক নয়। এমনকি সীতাকুণ্ড কামিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার ফলাফলও জাতীয় গড়ের তুলনায় বেশ খানিকটা পিছিয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে এর সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা গেছে উপজেলার হাতে গোনা কয়েকটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে। বারবকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সকল পরীক্ষার্থী পাস করার গৌরব অর্জন করেছে এবং ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের প্রতিটি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ার অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। সীতাকুণ্ড সরকারি মহিলা কলেজ এবং কুমিরা রেসিডেনশিয়াল গার্লস স্কুল অ্যান্ড হাসপাতালেও তুলনামূলক ভালো ফলাফল বজায় রয়েছে।

উপজেলার প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন বৈষম্যমূলক ফলাফলের জন্য শিক্ষক সংকট, ক্লাসে নিয়মিত পাঠদানের অনুপস্থিতি এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর না থাকাকে দায়ী করেছেন অভিভাবকরা। যেসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ত্রিশ শতাংশের নিচে নেমে গেছে, তাদের একাডেমিক কার্যক্রম দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

এক কলেজে সবাই জিপিএ-৫, আরেক কলেজে চারজনের তিনজনই ফেল

Update Time : ১২:৩১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: একই উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। একই প্রশাসনিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও কিছু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে, আবার কোথাও কোথাও অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী কৃতকার্য হতে পারেনি। সাম্প্রতিক প্রকাশিত এই পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর স্থানীয় অভিভাবক এবং শিক্ষামহলজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছোট দারোগারহাট তাহের-মনজুর কলেজে পাসের হার অত্যন্ত শোচনীয় পর্যায়ে নেমে এসেছে, যেখানে প্রায় পঁচাত্তর শতাংশ শিক্ষার্থীই ফেল করেছে। এছাড়া বিজয় স্মরণী কলেজ, লতিফা সিদ্দীকী ডিগ্রি কলেজ এবং সীতাকুণ্ড ডিগ্রি কলেজেও পাসের হার সন্তোষজনক নয়। এমনকি সীতাকুণ্ড কামিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার ফলাফলও জাতীয় গড়ের তুলনায় বেশ খানিকটা পিছিয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে এর সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা গেছে উপজেলার হাতে গোনা কয়েকটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে। বারবকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সকল পরীক্ষার্থী পাস করার গৌরব অর্জন করেছে এবং ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের প্রতিটি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ার অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। সীতাকুণ্ড সরকারি মহিলা কলেজ এবং কুমিরা রেসিডেনশিয়াল গার্লস স্কুল অ্যান্ড হাসপাতালেও তুলনামূলক ভালো ফলাফল বজায় রয়েছে।

উপজেলার প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন বৈষম্যমূলক ফলাফলের জন্য শিক্ষক সংকট, ক্লাসে নিয়মিত পাঠদানের অনুপস্থিতি এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর না থাকাকে দায়ী করেছেন অভিভাবকরা। যেসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ত্রিশ শতাংশের নিচে নেমে গেছে, তাদের একাডেমিক কার্যক্রম দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।