৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র: ইউজিসি চেয়ারম্যান
- Update Time : ০৩:০১:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
- / ৫ Time View
শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সক্ষমতা তৈরি করতে দেশের অর্ধশত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও প্রসারিত করার লক্ষ্যে সরকারের সুনির্দিষ্ট অগ্রাধিকারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই ইউজিসি এই বৃহৎ পরিসরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের উদ্যোগে আয়োজিত ওই সম্মেলনে জানানো হয় যে, নতুন এসব কেন্দ্রে চাইনিজ, জাপানিজ, কোরিয়ান, আরবি, জার্মান, ফ্রেঞ্চ, ইতালিয়ান এবং স্প্যানিশের মতো জনপ্রিয় বিদেশি ভাষাগুলো শেখার সুযোগ রাখা হবে। বর্তমানে বিশ্ববাজারে বিভিন্ন ভাষার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং তা বিবেচনা করেই দেশজুড়ে ভাষা প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। ইউজিসি চেয়ারম্যানের মতে, ভিন্ন ভাষার ওপর দখল অর্জন কেবল একটি অতিরিক্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা নয়, বরং এটি বৈশ্বিক যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদার করার একটি অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম।
মাতৃভাষার মর্যাদার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে অধ্যাপক মামুন আহমেদ আরও বলেন যে, বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় ও সংস্কৃতির সঙ্গে বাংলা ভাষার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও অবিচ্ছেদ্য। তাই মাতৃভাষাকে বাদ দিয়ে বা ছোট করে নয়, বরং মাতৃভাষার প্রতি পূর্ণ সম্মান বজায় রেখেই শিক্ষার্থীদের নতুন বিদেশি ভাষা শেখার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ভাষার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দ্বন্দ্ব তৈরি না করে নিজস্ব সংস্কৃতির শেকড় শক্ত রেখে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
উক্ত সম্মেলনে শিক্ষা খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরাও অংশ নেন এবং ভাষা শিক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের কর্ণধার এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি ভাষাগত শিক্ষার আধুনিক রূপরেখা নিয়ে একটি ফলপ্রসূ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্ট মহasর আশা করছেন, পরিকল্পিত এই ভাষা কেন্দ্রগুলো চালু হলে দেশের তরুণ প্রজন্ম বৈশ্বিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরও অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে।
























