Dhaka ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেলরের সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়ছে জিম্বাবুয়ে

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২ Time View

খেলা ডেস্ক: শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে চলমান টেস্ট ম্যাচের প্রথম দিনটি সম্পূর্ণ নিজেদের নামে করেছে জিম্বাবুয়ে দল। সংক্ষিপ্ত সংস্করণের খেলায় হারের হতাশা ভুলে দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে দুর্দান্ত সূচনা করেছে তারা। অভিজ্ঞ ব্যাটার ব্রেন্ডন টেলরের অসাধারণ সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক ব্রায়ান বেনেটের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সুবাদে প্রথম দিন শেষে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে সফরকারীরা। নির্ধারিত ওভারের খেলা শেষে তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩২৬ রান।

এর আগে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আফগানদের কাছে সিরিজ হারের মুখোমুখি হতে হয়েছিল জিম্বাবুয়েকে। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পরাজয়ের পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার ক্ষত তখনও তাজা ছিল। তবে ফরম্যাট বদলানোর সঙ্গে সঙ্গেই তাদের খেলায় এক অন্যরকম আত্মবিশ্বাস ও পরিপক্বতা লক্ষ্য করা যায়। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক ব্রায়ান বেনেট, যা দলের ইনিংসে বড় ভূমিকা রাখে।

ইনিংসের শুরুতে দুই ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া ও বেন কারান বেশ দেখেশুনে খেলে দলের ভিত শক্ত করেন। কাইয়া ৩৪ এবং কারান ৪২ রান করে সাজঘরে ফিরে গেলেও প্রথম দুটি জুটিতেই রান আসে ষাটোর্ধ্ব। এরপর দলের রান বাড়ানোর মূল দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেন ব্রেন্ডন টেলর ও ব্রায়ান বেনেট। তৃতীয় উইকেটে এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের ১৩৭ রানের জুটি জিম্বাবুয়েকে তিনশ রানের কাছাকাছি পৌঁছে দেয়।

দলের পক্ষে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ১৬৮ বলে ১৪টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ১৩১ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন ব্রেন্ডন টেলর। ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর হাশমাতুল্লাহ শাহীদির বলে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। টেলরের বিদায়ের পর কিছুক্ষণের জন্য দলের ইনিংসে সামান্য ধস নামে। তবে অধিনায়ক ব্রায়ান বেনেট একপ্রান্ত আগলে রেখে দারুণ লড়াই চালিয়ে যান।

দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় বেনেট ৭১ রানে এবং ওয়েসলি মাধেভেরে ২৯ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। ষষ্ঠ উইকেটে এই দুজনেই ইতোমধ্যে মূল্যবান ৩৯ রানের জুটি গড়েছেন। আফগানিস্তানের পক্ষে বোলিংয়ে সফল ছিলেন জিয়া-উর-রেহমান, যিনি একাই শিকার করেছেন দুটি উইকেট। এছাড়া মোহাম্মদ সেলিম, কায়েস আহমেদ ও হাশমাতুল্লাহ শাহীদি প্রত্যেকে একটি করে উইকেট লাভ করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

টেলরের সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়ছে জিম্বাবুয়ে

Update Time : ০৩:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

খেলা ডেস্ক: শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে চলমান টেস্ট ম্যাচের প্রথম দিনটি সম্পূর্ণ নিজেদের নামে করেছে জিম্বাবুয়ে দল। সংক্ষিপ্ত সংস্করণের খেলায় হারের হতাশা ভুলে দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে দুর্দান্ত সূচনা করেছে তারা। অভিজ্ঞ ব্যাটার ব্রেন্ডন টেলরের অসাধারণ সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক ব্রায়ান বেনেটের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সুবাদে প্রথম দিন শেষে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে সফরকারীরা। নির্ধারিত ওভারের খেলা শেষে তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩২৬ রান।

এর আগে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আফগানদের কাছে সিরিজ হারের মুখোমুখি হতে হয়েছিল জিম্বাবুয়েকে। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পরাজয়ের পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার ক্ষত তখনও তাজা ছিল। তবে ফরম্যাট বদলানোর সঙ্গে সঙ্গেই তাদের খেলায় এক অন্যরকম আত্মবিশ্বাস ও পরিপক্বতা লক্ষ্য করা যায়। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক ব্রায়ান বেনেট, যা দলের ইনিংসে বড় ভূমিকা রাখে।

ইনিংসের শুরুতে দুই ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া ও বেন কারান বেশ দেখেশুনে খেলে দলের ভিত শক্ত করেন। কাইয়া ৩৪ এবং কারান ৪২ রান করে সাজঘরে ফিরে গেলেও প্রথম দুটি জুটিতেই রান আসে ষাটোর্ধ্ব। এরপর দলের রান বাড়ানোর মূল দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেন ব্রেন্ডন টেলর ও ব্রায়ান বেনেট। তৃতীয় উইকেটে এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের ১৩৭ রানের জুটি জিম্বাবুয়েকে তিনশ রানের কাছাকাছি পৌঁছে দেয়।

দলের পক্ষে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ১৬৮ বলে ১৪টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ১৩১ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন ব্রেন্ডন টেলর। ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর হাশমাতুল্লাহ শাহীদির বলে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। টেলরের বিদায়ের পর কিছুক্ষণের জন্য দলের ইনিংসে সামান্য ধস নামে। তবে অধিনায়ক ব্রায়ান বেনেট একপ্রান্ত আগলে রেখে দারুণ লড়াই চালিয়ে যান।

দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় বেনেট ৭১ রানে এবং ওয়েসলি মাধেভেরে ২৯ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। ষষ্ঠ উইকেটে এই দুজনেই ইতোমধ্যে মূল্যবান ৩৯ রানের জুটি গড়েছেন। আফগানিস্তানের পক্ষে বোলিংয়ে সফল ছিলেন জিয়া-উর-রেহমান, যিনি একাই শিকার করেছেন দুটি উইকেট। এছাড়া মোহাম্মদ সেলিম, কায়েস আহমেদ ও হাশমাতুল্লাহ শাহীদি প্রত্যেকে একটি করে উইকেট লাভ করেন।