Dhaka ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গরম দুধে দুটি কাঁচা ডিম, আর কী খেয়ে তরুণদের ঘুম কাড়তেন মনরো

Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৫ Time View

বিনোদন ডেস্ক: বিশ্বের চলচ্চিত্র জগতে মার্লিন মনরো এমন এক নাম, যাঁকে নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ও কৌতূহলের কখনো অন্ত ছিল না। তাঁর মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য এবং দুর্দান্ত অভিনয় প্রতিভা তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, সেসময়ে বিশ্বজুড়ে রূপ ও গ্ল্যামারের প্রতীক হিসেবে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসত। তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ এবং জীবনধারার খুঁটিনাটি জানতে মুখিয়ে থাকতেন কোটি কোটি অনুরাগী।

পর্দার পেছনের এই তারকার দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাস নিয়েও প্রচলিত ছিল নানা বিস্ময়কর তথ্য। রূপের জৌলুস ধরে রাখতে এবং ব্যস্ত সময়ে ক্লান্তি দূর করতে তিনি বেশ কিছু অস্বাভাবিক অভ্যাসের চর্চা করতেন। বিশেষ করে তাঁর সকালের খাবার বা বিশেষ পানীয়ের প্রস্তুতি নিয়ে গণমাধ্যমে নানা সময় নানা গল্প শোনা যেত। তাঁর এই জীবনপদ্ধতি আজও অনেকের কাছেই বেশ কৌতূহলোদ্দীপক বলে বিবেচিত হয়।

চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে গবেষক ও ভক্তদের মাঝে এখনো গবেষণা চলে। তাঁর এই আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা কেবল তাঁর রূপের ওপর নির্ভর ছিল না, বরং তাঁর কাজের নিজস্ব একটি ধরন ছিল। যুগ পেরিয়ে গেলেও পপ সংস্কৃতিতে মার্লিন মনরো নামটি চিরভাস্বর হয়ে আছে এবং তাঁর সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের কৌতূহলও কমেনি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

গরম দুধে দুটি কাঁচা ডিম, আর কী খেয়ে তরুণদের ঘুম কাড়তেন মনরো

Update Time : ০২:৪৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: বিশ্বের চলচ্চিত্র জগতে মার্লিন মনরো এমন এক নাম, যাঁকে নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ও কৌতূহলের কখনো অন্ত ছিল না। তাঁর মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য এবং দুর্দান্ত অভিনয় প্রতিভা তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, সেসময়ে বিশ্বজুড়ে রূপ ও গ্ল্যামারের প্রতীক হিসেবে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসত। তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ এবং জীবনধারার খুঁটিনাটি জানতে মুখিয়ে থাকতেন কোটি কোটি অনুরাগী।

পর্দার পেছনের এই তারকার দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাস নিয়েও প্রচলিত ছিল নানা বিস্ময়কর তথ্য। রূপের জৌলুস ধরে রাখতে এবং ব্যস্ত সময়ে ক্লান্তি দূর করতে তিনি বেশ কিছু অস্বাভাবিক অভ্যাসের চর্চা করতেন। বিশেষ করে তাঁর সকালের খাবার বা বিশেষ পানীয়ের প্রস্তুতি নিয়ে গণমাধ্যমে নানা সময় নানা গল্প শোনা যেত। তাঁর এই জীবনপদ্ধতি আজও অনেকের কাছেই বেশ কৌতূহলোদ্দীপক বলে বিবেচিত হয়।

চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে গবেষক ও ভক্তদের মাঝে এখনো গবেষণা চলে। তাঁর এই আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা কেবল তাঁর রূপের ওপর নির্ভর ছিল না, বরং তাঁর কাজের নিজস্ব একটি ধরন ছিল। যুগ পেরিয়ে গেলেও পপ সংস্কৃতিতে মার্লিন মনরো নামটি চিরভাস্বর হয়ে আছে এবং তাঁর সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের কৌতূহলও কমেনি।