উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির আগে সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে কি না, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন
- Update Time : ০১:৪৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
- / ২ Time View
জাতীয় ডেস্ক: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে বিমান বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠক চলাকালে বিগত সময়ে নেওয়া বিভিন্ন বড় ধরনের ক্রয় চুক্তি এবং সেগুলোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কমিটির সদস্যরা। বিশেষ করে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট ও নিরপেক্ষ সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি ছাড়া এ ধরনের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
কমিটির একাধিক সদস্যের মতে, রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার আর্থিক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার কথা বিবেচনা না করে উড়োজাহাজ কেনা হলে তা দীর্ঘমেয়াদে সংস্থার ওপর আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে। এ কারণে প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে যথাযথ বৈজ্ঞানিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ থাকা আবশ্যক বলে তারা মন্তব্য করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিমানের সেবার মানোন্নয়ন এবং লোকসানি রুটগুলো লাভজনক করার পাশাপাশি নতুন সম্পদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের তাগিদ দেওয়া হয়।
বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সংসদীয় কমিটির বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন। কর্মকর্তারা জানান, দেশের বিমান খাতের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লক্ষ্যেই নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। তবে কমিটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, ভবিষ্যতে যেকোনো বড় চুক্তি সম্পাদনের পূর্বে অবশ্যই পুঙ্খানুপুঙ্খ সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন করতে হবে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।
সংসদীয় কমিটি মনে করে, সঠিক পরিকল্পনা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে বিমান খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জন করা সম্ভব হবে না। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে দেশের সার্বিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং যাত্রীসেবা আরও উন্নত করার জন্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করে সংসদীয় কমিটি।






















