Dhaka ০৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা

Reporter Name
  • Update Time : ০৪:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৭ Time View

জাতীয় ডেস্ক: শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো নতুন পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে এবং মুদ্রণ খাতে অনিয়ম রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একটি প্রভাবশালী চক্র বা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ভাঙতে এবার উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়। এর ফলে প্রাক্কলিত ব্যয়ের তুলনায় বই ছাপানোর সামগ্রিক খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। এই প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের কারণে বই মুদ্রণের জন্য নির্ধারিত প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে প্রায় ১৪ শতাংশ কম খরচে কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের প্রভাবে কাজ নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত, যার ফলে সরকারের বাড়তি অর্থ ব্যয় হতো। কিন্তু এবার স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করায় সরকারি কোষাগার থেকে প্রায় ১৪ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হয়েছে।

এই অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি বইয়ের মান ঠিক রাখার বিষয়েও বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সময়মতো মানসম্মত পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে এই ধরনের সংস্কারমূলক উদ্যোগ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা

Update Time : ০৪:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো নতুন পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে এবং মুদ্রণ খাতে অনিয়ম রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একটি প্রভাবশালী চক্র বা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ভাঙতে এবার উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়। এর ফলে প্রাক্কলিত ব্যয়ের তুলনায় বই ছাপানোর সামগ্রিক খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। এই প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের কারণে বই মুদ্রণের জন্য নির্ধারিত প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে প্রায় ১৪ শতাংশ কম খরচে কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের প্রভাবে কাজ নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত, যার ফলে সরকারের বাড়তি অর্থ ব্যয় হতো। কিন্তু এবার স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করায় সরকারি কোষাগার থেকে প্রায় ১৪ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হয়েছে।

এই অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি বইয়ের মান ঠিক রাখার বিষয়েও বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সময়মতো মানসম্মত পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে এই ধরনের সংস্কারমূলক উদ্যোগ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।