Dhaka ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের ‘গডফাদারদের’ বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৯ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি:: মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত ‘গডফাদারদের’ চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’ বলে জানিয়েছেন পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় দেশের বিভিন্ন মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপাররা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন। সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং অপরাধ দমনে পুলিশের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় অতিরিক্ত আইজিপি মো. সায়েদুর রহমান মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার নির্দেশ দেন। অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি এসব অপরাধের নেপথ্যে থাকা পৃষ্ঠপোষক ও ‘গডফাদারদের’ চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পুলিশ সদস্যদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে সায়েদুর রহমান বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে জনগণের সঙ্গে মানবিক আচরণ করতে হবে। একই সঙ্গে পেশাদারত্ব ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে পুলিশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে হবে।
সভায় ডাকাতি ও দস্যুতার মতো অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। ডাকাতির ঘটনায় মামলা রুজু, দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার ওপর গুরুত্ব দেন অতিরিক্ত আইজিপি।
ধর্ষণ মামলার তদন্তের বিষয়ে তিনি বলেন, এসব মামলার তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারক করতে হবে, যাতে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা এবং সাজা নিশ্চিত করার হার বাড়ানো যায়।

সভায় গত সেপ্টেম্বর মাসের গুরুত্বপূর্ণ অপরাধমূলক ঘটনা ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, ধর্ষণ, পুলিশ আক্রান্ত ও অপহরণের মামলা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি মুলতবি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর, মামলার তদন্তের অগ্রগতি, বিচারপ্রক্রিয়ার ফলাফল এবং অপরাধীদের সাজা নিশ্চিত করার হার নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় অপরাধ দমনে মাঠপর্যায়ে পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদার করা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের ‘গডফাদারদের’ বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক

Update Time : ০৯:০৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি:: মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত ‘গডফাদারদের’ চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’ বলে জানিয়েছেন পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় দেশের বিভিন্ন মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপাররা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন। সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং অপরাধ দমনে পুলিশের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় অতিরিক্ত আইজিপি মো. সায়েদুর রহমান মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার নির্দেশ দেন। অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি এসব অপরাধের নেপথ্যে থাকা পৃষ্ঠপোষক ও ‘গডফাদারদের’ চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পুলিশ সদস্যদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে সায়েদুর রহমান বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে জনগণের সঙ্গে মানবিক আচরণ করতে হবে। একই সঙ্গে পেশাদারত্ব ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে পুলিশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে হবে।
সভায় ডাকাতি ও দস্যুতার মতো অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। ডাকাতির ঘটনায় মামলা রুজু, দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার ওপর গুরুত্ব দেন অতিরিক্ত আইজিপি।
ধর্ষণ মামলার তদন্তের বিষয়ে তিনি বলেন, এসব মামলার তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারক করতে হবে, যাতে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা এবং সাজা নিশ্চিত করার হার বাড়ানো যায়।

সভায় গত সেপ্টেম্বর মাসের গুরুত্বপূর্ণ অপরাধমূলক ঘটনা ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, ধর্ষণ, পুলিশ আক্রান্ত ও অপহরণের মামলা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি মুলতবি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর, মামলার তদন্তের অগ্রগতি, বিচারপ্রক্রিয়ার ফলাফল এবং অপরাধীদের সাজা নিশ্চিত করার হার নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় অপরাধ দমনে মাঠপর্যায়ে পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদার করা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।