Dhaka ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫৯ Time View

মোঃ খলিলুর রহমান, সাতক্ষীরা ::সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি গ্রামে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ফার্নিচার মিস্ত্রির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রবিউল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে গুনাকরকাটি বাজারে
অভিযুক্তের ফার্নিচারের গোডাউনে এ ঘটনা ঘটে বলে
অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম
একই এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় গুনাকরকাটি
গ্রামের কালাম সরদারের স্ত্রী হামদা খাতুন ঘটনাস্থলের
পেছনে একটি চাতালে ধান শুকানোর কাজে নিয়োজিত
ছিলেন। এ সময় তিনি শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় গোডাউনের বাইরে ফেলে রেখে দ্রুত দোকান বন্ধ করে চলে যেতে দেখেন বলে দাবি করেন।
পরে হামদা খাতুন অচেতন শিশুটিকে উদ্ধার করে
মাথায় পানি দেন এবং তার পরিচর্যা করেন। শিশুটির
কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শোনার পর তিনি তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেন এবং পরিবারের সদস্যদের
বিষয়টি জানান।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত
রবিউল ইসলামকে আটক করে রাখেন। পরে আশাশুনি
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনজির হোসেন
ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের সদস্য ও
স্থানীয় বাসিন্দারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত
রহস্য উদ্ঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি
জানিয়েছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সাতক্ষীরায় চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

Update Time : ০৮:১৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

মোঃ খলিলুর রহমান, সাতক্ষীরা ::সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি গ্রামে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ফার্নিচার মিস্ত্রির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রবিউল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে গুনাকরকাটি বাজারে
অভিযুক্তের ফার্নিচারের গোডাউনে এ ঘটনা ঘটে বলে
অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম
একই এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় গুনাকরকাটি
গ্রামের কালাম সরদারের স্ত্রী হামদা খাতুন ঘটনাস্থলের
পেছনে একটি চাতালে ধান শুকানোর কাজে নিয়োজিত
ছিলেন। এ সময় তিনি শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় গোডাউনের বাইরে ফেলে রেখে দ্রুত দোকান বন্ধ করে চলে যেতে দেখেন বলে দাবি করেন।
পরে হামদা খাতুন অচেতন শিশুটিকে উদ্ধার করে
মাথায় পানি দেন এবং তার পরিচর্যা করেন। শিশুটির
কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শোনার পর তিনি তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেন এবং পরিবারের সদস্যদের
বিষয়টি জানান।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত
রবিউল ইসলামকে আটক করে রাখেন। পরে আশাশুনি
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনজির হোসেন
ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের সদস্য ও
স্থানীয় বাসিন্দারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত
রহস্য উদ্ঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি
জানিয়েছেন।