সরকারের সাত মাসের কর্মকাণ্ডে জনগণের মধ্যে উৎকণ্ঠা বেড়েছে: এ টি এম মাসুম
- Update Time : ০২:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
- / ৬ Time View
রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাসুম অভিযোগ করেছেন যে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের শপথ না নিয়ে বর্তমান প্রশাসন জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে দেশ পরিচালনা করার কারণে দেশজুড়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। সম্প্রতি চাঁদপুরে জেলা জামায়াতের একটি রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর সমালোচনা করেন এবং বর্তমান প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রমের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই জামায়াত নেতা আরও উল্লেখ করেন যে দেশের সিংহভাগ মানুষ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে রায় দিলেও সরকার সেই সনদ বাস্তবায়নের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে। বর্তমান সংবিধান বহাল রেখে প্রশাসন পরিচালনার কোনো নৈতিক ভিত্তি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন যে এই সংবিধানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ রয়েছে। সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হলেও প্রশাসনের গত কয়েক মাসের কর্মকাণ্ডে জনমনে চরম উৎকণ্ঠা ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতি ঘটছে বলে অভিযোগ করে মাওলানা এ টি এম মাসুম বলেন যে বর্তমান সময়ে চাঁদাবাজি আগের তুলনায় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে খুন ও রাহাজানির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় জননিরাপত্তা বিপন্ন হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। পাশাপাশি এই সময়ে বেশ কিছু কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মসংস্থান সংকুচিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বিচার বিভাগ এবং নির্বাচন কমিশনকে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যবহার করা হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন যে এই প্রশাসনের অধীনে কোনো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয়। ইসলাম এবং শরিয়াহ আইনের প্রতি অনীহা দেখানো হচ্ছে বলেও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজীর সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোড শাহজাহান মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।























